ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরায় পৃথক স্থান থেকে তিন ব্যক্তির রহস্যজনক লাশ উদ্ধার

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া, আশাশুনি এবং সদর উপজেলায় পৃথক তিনটি স্থান থেকে তিন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে একজন মধু ব্যবসায়ী, একজন মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ এবং অন্যজন এক যুবক। প্রতিটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে একটি মোবাইল টাওয়ারের নিচ থেকে মেহেদী (৩৫) নামে এক মধু ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে। নিহত মেহেদী কয়লা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এইচ এম শাহীন জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

অন্যদিকে, আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের বেউলা সরকারি খাল থেকে মো. আব্দুর রহিম মালি (৬০) নামে এক বৃদ্ধের রক্তাক্ত লাশ ভেসে ওঠে। তিনি শ্বেতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মানসিকভাবে কিছুটা ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ভোরে নামাজ পড়তে বেরিয়ে তিনি নিখোঁজ হন এবং পরে খালে তার লাশ পাওয়া যায়। তার চোখ ও মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল, যা জলজ প্রাণীর কামড়ে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছে।

এছাড়াও, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় অমিত হাসান (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহা. মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই তিনটি ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক অধিকার ও জনগণের রায়কে সম্মান জানানোর আহ্বান জামায়াত আমিরের

সাতক্ষীরায় পৃথক স্থান থেকে তিন ব্যক্তির রহস্যজনক লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৩:০৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া, আশাশুনি এবং সদর উপজেলায় পৃথক তিনটি স্থান থেকে তিন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে একজন মধু ব্যবসায়ী, একজন মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ এবং অন্যজন এক যুবক। প্রতিটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে একটি মোবাইল টাওয়ারের নিচ থেকে মেহেদী (৩৫) নামে এক মধু ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে। নিহত মেহেদী কয়লা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এইচ এম শাহীন জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

অন্যদিকে, আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের বেউলা সরকারি খাল থেকে মো. আব্দুর রহিম মালি (৬০) নামে এক বৃদ্ধের রক্তাক্ত লাশ ভেসে ওঠে। তিনি শ্বেতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মানসিকভাবে কিছুটা ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ভোরে নামাজ পড়তে বেরিয়ে তিনি নিখোঁজ হন এবং পরে খালে তার লাশ পাওয়া যায়। তার চোখ ও মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল, যা জলজ প্রাণীর কামড়ে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছে।

এছাড়াও, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় অমিত হাসান (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহা. মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই তিনটি ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।