রাজধানীর একটি সুপারশপে ৭৫০ টাকা কেজি দরের ‘ব্যানানা ম্যাংগো’ দেখে মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে থাকা এই ফল নিজেরা উৎপাদন করার স্বপ্ন দেখেছিলেন আনসার আলী। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার পশ্চিম রাজা রামপুর গ্রামে ফিরে যান তিনি। জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকা আনসার আলী আজ একজন সফল আমচাষি ও কৃষি উদ্যোক্তা।
বর্তমানে ১৫ বিঘা জমিতে তিনি প্রায় পুরোটাই বিদেশি জাতের আম চাষ করছেন। তার বাগানে শোভা পাচ্ছে ভিয়েতনামের ‘সূর্যের ডিম’ (মিয়াজাকি) ও রেড মিয়াজাকি, অস্ট্রেলিয়ার আর-২ ও ই-২, থাইল্যান্ডের দমকাই, চিন্মাই ও কেসোআই এবং আমেরিকার পুষা উরমিন ও রেড পালমার-এর মতো দুর্লভ জাতের আম। ছেলের নামে গড়া ‘শাহরিয়ার এনাম অ্যাগ্রোফার্ম’ দেশের বাইরেও সুনাম অর্জন করেছে।
দেশীয় বাজারে এই আম ২০০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও, তার মূল বাজার এখন লন্ডন। বিদেশে আম পাঠানো ব্যয়বহুল হলেও, গাছ থেকে পাড়া, প্যাকেজিং এবং বিমান ভাড়ার সব খরচ মিলিয়ে প্রতি কেজির দাম প্রায় ৯০০ টাকা পড়ে। লন্ডনে এই আম প্রতি কেজি আট পাউন্ডে বিক্রি হয়। জাতীয় ফল মেলায় আনসার আলী জানান, তার বিদেশি আমগুলো ফুডগ্রেডেড এবং দেশি আমের তুলনায় সাত-আট দিন পর্যন্ত ভালো থাকে, যা ক্রেতাদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়।
রিপোর্টারের নাম 
























