ইউক্রেন বৃহস্পতিবার মস্কোতে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যার ফলে রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকায় আগুন লেগে যায় এবং দেশের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর থেকে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে হয়। দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে শহরের আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে এবং ড্রোন উড়তে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর কাজানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে এই বড় ধরণের হামলা চালানো হয়, যা মস্কো থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ায় ড্রোন হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে, মস্কোর যুদ্ধ তহবিলে অর্থ জোগানো তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী বড় আকারের হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে, তবে কয়েকটি ড্রোন এমএনপিজেড (মস্কো তেল শোধনাগার) পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছে। শোধনাগারের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য না পাওয়া গেলেও, কিছু রুশ গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে সেখানে আগুন লাগার কথা বলা হয়েছে।
মস্কোর শেরেমেতিয়েভো বিমানবন্দর জানিয়েছে, হামলার সময় যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া, মস্কো অঞ্চলের ঝুকভস্কি জেলায় একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন আঘাত হেনেছে এবং ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে রাজধানীর উপকণ্ঠের একটি শপিং সেন্টারে আগুন ধরে যায় বলে গভর্নর আন্দ্রেই ভোরোবিয়ভ জানিয়েছেন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে যে গত রাতে ইউক্রেনের পাঁচ শতাধিক ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে, যা অন্তত দুই বছরের মধ্যে মস্কোর ওপর চালানো সবচেয়ে বড় হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























