যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি কাঠামোগত চুক্তিতে সম্মত হলেও, নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ভবিষ্যৎ আলোচনার অন্তর্ভুক্ত হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে কেউ আলোচনা করুক—এটা আমরা মোটেও চাই না। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কেবল নিক্ষেপের জন্য, আলোচনার জন্য নয়। দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কোনো প্রক্রিয়ায়, কোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনার বিষয় হবে না।’
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে আঞ্চলিক যুদ্ধের অবসান হয়েছে। চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে আলোচনার ভিত্তি তৈরি হলেও, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কোনো উল্লেখ ছিল না। যুদ্ধের সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, ইরানকে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা করতে হবে, যা ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর জন্য হুমকি। তবে ইরান বরাবরই তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আলোচনার বাইরে রেখেছে। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও কিছুটা নরম সুরে বলেছেন, অন্য দেশগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র থাকা অন্যায় হবে না, কারণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আর পারমাণবিক অস্ত্র এক বিষয় নয়।
রিপোর্টারের নাম 
























