ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ভারতের ছত্তিশগড়ে বালু উত্তোলন বিরোধ: গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, বিজেপি নেতাসহ ৩ জন পুড়ে নিহত

ভারতের ছত্তিশগড়ের কোরিয়া জেলায় বালু উত্তোলন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় গাড়ির ভেতরে আটকা পড়ে তিন ব্যক্তি পুড়ে মারা গেছেন, যাদের মধ্যে একজন ছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেতা ভরত সিং।

মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনহাট থানার নওগাইন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ভরত সিংয়ের পরিবারের ভাষ্যমতে, তিনি বালু উত্তোলন সংক্রান্ত একটি বিবাদের মীমাংসার জন্য আলোচনায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথেই তাদের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এখন পর্যন্ত চারজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মোট নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই এলাকার বালু উত্তোলনের চুক্তিটি ভরত সিংয়ের পরিবারকে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, এরপর থেকে সোনহাট, কৈলাশপুর, তেলিমুদা, বেলিয়া এবং ছিঙ্গুরাজুড়ে বালু পরিবহন ও খনি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ‘অবৈধ’ অর্থ আদায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একটি তীব্র বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে যে, ভরত সিংয়ের সমর্থক এবং আরেক বিজেপি নেতা মনোজ ত্রিপাঠীর পরিবারের মধ্যে কয়েক মাস ধরে এই নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল, যার চূড়ান্ত পরিণতি এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদ ও মঙ্গলে দ্রুত অভিযানের জন্য নতুন রোভার পরীক্ষা করছে নাসা

ভারতের ছত্তিশগড়ে বালু উত্তোলন বিরোধ: গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, বিজেপি নেতাসহ ৩ জন পুড়ে নিহত

আপডেট সময় : ০২:৩৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

ভারতের ছত্তিশগড়ের কোরিয়া জেলায় বালু উত্তোলন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় গাড়ির ভেতরে আটকা পড়ে তিন ব্যক্তি পুড়ে মারা গেছেন, যাদের মধ্যে একজন ছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেতা ভরত সিং।

মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনহাট থানার নওগাইন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ভরত সিংয়ের পরিবারের ভাষ্যমতে, তিনি বালু উত্তোলন সংক্রান্ত একটি বিবাদের মীমাংসার জন্য আলোচনায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথেই তাদের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এখন পর্যন্ত চারজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মোট নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই এলাকার বালু উত্তোলনের চুক্তিটি ভরত সিংয়ের পরিবারকে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, এরপর থেকে সোনহাট, কৈলাশপুর, তেলিমুদা, বেলিয়া এবং ছিঙ্গুরাজুড়ে বালু পরিবহন ও খনি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ‘অবৈধ’ অর্থ আদায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একটি তীব্র বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে যে, ভরত সিংয়ের সমর্থক এবং আরেক বিজেপি নেতা মনোজ ত্রিপাঠীর পরিবারের মধ্যে কয়েক মাস ধরে এই নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল, যার চূড়ান্ত পরিণতি এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড।