ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাটিং ধস, শেষ জুটিতে বাংলাদেশের ১৩১ রান

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েও মেহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানের শেষ উইকেট জুটির দৃঢ়তায় ১৩১ রানের সম্মানজনক সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়, যিনি চোটগ্রস্ত লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন।

ম্যাচের শুরুতে অবশ্য বাংলাদেশের ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসানের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত মিলেছিল। তবে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ২৭ রানে তানজিদ ফিরলে প্রথম ধাক্কা খায় দল। এরপর সাইফ হাসানও ১৪ বলে ২০ রান করে ফিরে যান। নতুন অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় মাঠে নেমেই ছক্কা হাঁকালেও সেই ঝলক ছিল ক্ষণস্থায়ী।

মাঝের ওভারগুলোতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। হৃদয়, সৌম্য সরকার, পারভেজ হোসেন, শামীম হোসেন—একের পর এক ব্যাটসম্যান দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। দ্রুত রান উঠলেও নিয়মিত উইকেট পতনের কারণে কোনো বড় জুটি গড়ে ওঠেনি। অভিষেক ম্যাচে আব্দুল গাফফার সাকলায়েন ১০ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তিনিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। একপর্যায়ে ১৩ ওভারে ৮৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে দল বড় বিপদে পড়ে।

এরপর রিশাদ হোসেন দ্রুত বিদায় নেওয়ার পর শঙ্কা জাগে একশ রান পার হওয়া নিয়েও। তবে কঠিন সময়ে একপ্রান্ত আগলে রাখেন মেহেদী হাসান। তিনি মোস্তাফিজুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে মূল্যবান রান যোগ করে দলকে ১৩১ রানে পৌঁছে দেন, যা লড়াই করার মতো একটি পুঁজি এনে দেয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল, শিক্ষার্থীদের উপর চাপ কমাবে সরকার

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাটিং ধস, শেষ জুটিতে বাংলাদেশের ১৩১ রান

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েও মেহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানের শেষ উইকেট জুটির দৃঢ়তায় ১৩১ রানের সম্মানজনক সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়, যিনি চোটগ্রস্ত লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন।

ম্যাচের শুরুতে অবশ্য বাংলাদেশের ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসানের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত মিলেছিল। তবে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ২৭ রানে তানজিদ ফিরলে প্রথম ধাক্কা খায় দল। এরপর সাইফ হাসানও ১৪ বলে ২০ রান করে ফিরে যান। নতুন অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় মাঠে নেমেই ছক্কা হাঁকালেও সেই ঝলক ছিল ক্ষণস্থায়ী।

মাঝের ওভারগুলোতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। হৃদয়, সৌম্য সরকার, পারভেজ হোসেন, শামীম হোসেন—একের পর এক ব্যাটসম্যান দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। দ্রুত রান উঠলেও নিয়মিত উইকেট পতনের কারণে কোনো বড় জুটি গড়ে ওঠেনি। অভিষেক ম্যাচে আব্দুল গাফফার সাকলায়েন ১০ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তিনিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। একপর্যায়ে ১৩ ওভারে ৮৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে দল বড় বিপদে পড়ে।

এরপর রিশাদ হোসেন দ্রুত বিদায় নেওয়ার পর শঙ্কা জাগে একশ রান পার হওয়া নিয়েও। তবে কঠিন সময়ে একপ্রান্ত আগলে রাখেন মেহেদী হাসান। তিনি মোস্তাফিজুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে মূল্যবান রান যোগ করে দলকে ১৩১ রানে পৌঁছে দেন, যা লড়াই করার মতো একটি পুঁজি এনে দেয়।