ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

শিশু আয়াত হত্যা মামলা: প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ড

চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবির মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকায় মক্তবে যাওয়ার পথে ৫ বছর বয়সী আয়াতকে অপহরণ করা হয়। মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে পরিচিত ও প্রতিবেশী আবির মিয়া আয়াতকে অপহরণ করলেও পরে ধরা পড়ার ভয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর নিষ্ঠুরভাবে লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে সাগর ও খালের পাড়ে ফেলে দেওয়া হয়। পিবিআই দীর্ঘ তদন্ত শেষে আবিরসহ দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জানান, এই মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তথ্য-প্রমাণ ও জবানবন্দি পর্যালোচনায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেন। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, মেয়ের খুনিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ায় আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। দ্রুত এই রায় কার্যকরের দাবি জানাই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের নামে হত্যা মামলা

শিশু আয়াত হত্যা মামলা: প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবির মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকায় মক্তবে যাওয়ার পথে ৫ বছর বয়সী আয়াতকে অপহরণ করা হয়। মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে পরিচিত ও প্রতিবেশী আবির মিয়া আয়াতকে অপহরণ করলেও পরে ধরা পড়ার ভয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর নিষ্ঠুরভাবে লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে সাগর ও খালের পাড়ে ফেলে দেওয়া হয়। পিবিআই দীর্ঘ তদন্ত শেষে আবিরসহ দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জানান, এই মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তথ্য-প্রমাণ ও জবানবন্দি পর্যালোচনায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেন। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, মেয়ের খুনিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ায় আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। দ্রুত এই রায় কার্যকরের দাবি জানাই।