২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। বাংলাদেশ সময় আগামীকাল সকাল ১০টায় সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘জে’ গ্রুপের এই ম্যাচটি দুদলের জন্যই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফিরেছে অস্ট্রিয়া, অন্যদিকে জর্ডান খেলতে যাচ্ছে তাদের ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ।
বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে অস্ট্রিয়া দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল। ‘এইচ’ গ্রুপে ৮ ম্যাচে ৬ জয়, ১ ড্র ও ১ হারে তারা শীর্ষস্থান দখল করে। শেষ ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সাথে ১-১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে রালফ রাংনিকের দল। প্রস্তুতি ম্যাচেও তারা ঘানাকে ৫-১ গোলে হারানোর পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া ও তিউনিসিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছে। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মতো শক্তিশালী দলের উপস্থিতিতে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিতে মরিয়া থাকবে অস্ট্রিয়া, যাদের লক্ষ্য ১৯৫৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠা।
অন্যদিকে, এএফসি বাছাই পর্বের তৃতীয় রাউন্ডে ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট অর্জন করে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় জর্ডান। তারা আরব কাপের ফাইনালেও উঠেছিল, যদিও মরক্কোর কাছে ৩-২ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হয়। তবে বিশ্বকাপের আগে তাদের প্রস্তুতি খুব একটা সুখকর হয়নি। শেষ চারটি প্রীতি ম্যাচে তারা কোনো জয় পায়নি, দুই ড্র ও দুই হারের পাশাপাশি বর্তমানে পাঁচ ম্যাচ ধরে জয়হীন রয়েছে দলটি।
দলীয় খবরে অস্ট্রিয়া কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও চোটের কারণে ক্রিস্টোফ বাউমগার্টনারকে হারিয়েছে। জর্ডানের জন্য বড় ধাক্কা ইয়াজান আল-নাইমাতের অনুপস্থিতি, যিনি বাছাই পর্বে ৮ গোল করেছিলেন এবং চোটের কারণে বিশ্বকাপ মিস করছেন। কাগজে-কলমে অস্ট্রিয়া এগিয়ে থাকলেও, ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপে জর্ডান নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে মরিয়া থাকবে। তাই এই ম্যাচে এক জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























