ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

তীব্র দাবদাহে ঘর ঠান্ডা রাখার কার্যকরী কিছু উপায়

নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশে বর্তমানে তীব্র দাবদাহ অনুভূত হচ্ছে, যা ‘এল নিনো’র প্রভাব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে বাড়ির বাইরে বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা ঘরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে বাইরের গরমের প্রভাব যেন ঘরের ভেতরেও প্রবেশ করছে। এসি ব্যবহার করা ব্যয়বহুল হওয়ায়, প্রাকৃতিক উপায়ে বা কিছু কৌশল অবলম্বন করে ঘর ঠান্ডা রাখা যেতে পারে।

ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার অন্যতম একটি উপায় হলো জানালা ও পর্দার সঠিক ব্যবহার। দিনের বেলায়, বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত, যখন সূর্যের তাপ তীব্র থাকে, তখন ঘরের জানালা বন্ধ রাখা উচিত। রাতে আবহাওয়া শীতল হলে জানালা খুলে দিয়ে বাইরের ঠান্ডা বাতাস ঘরে প্রবেশ করতে দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া, যেসব জানালা দিয়ে সরাসরি রোদ আসে এবং ঘরকে উত্তপ্ত করে তোলে, সেখানে মোটা ও গাঢ় রঙের সুতির পর্দা ব্যবহার করলে তা তাপ প্রবেশে বাধা দেবে এবং ঘরকে তুলনামূলকভাবে শীতল রাখবে।

বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে। সাধারণ বাল্বের পরিবর্তে এনার্জি সেভিং বাল্ব ব্যবহার করলে তা কম তাপ উৎপন্ন করে। এছাড়া, টেবিল ফ্যানের সামনে বরফ ভর্তি পাত্র রেখে দিলে তা ঘরের বাতাসকে ঠান্ডা করতে সাহায্য করতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

তীব্র দাবদাহে ঘর ঠান্ডা রাখার কার্যকরী কিছু উপায়

আপডেট সময় : ০২:৩৪:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশে বর্তমানে তীব্র দাবদাহ অনুভূত হচ্ছে, যা ‘এল নিনো’র প্রভাব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে বাড়ির বাইরে বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা ঘরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে বাইরের গরমের প্রভাব যেন ঘরের ভেতরেও প্রবেশ করছে। এসি ব্যবহার করা ব্যয়বহুল হওয়ায়, প্রাকৃতিক উপায়ে বা কিছু কৌশল অবলম্বন করে ঘর ঠান্ডা রাখা যেতে পারে।

ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার অন্যতম একটি উপায় হলো জানালা ও পর্দার সঠিক ব্যবহার। দিনের বেলায়, বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত, যখন সূর্যের তাপ তীব্র থাকে, তখন ঘরের জানালা বন্ধ রাখা উচিত। রাতে আবহাওয়া শীতল হলে জানালা খুলে দিয়ে বাইরের ঠান্ডা বাতাস ঘরে প্রবেশ করতে দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া, যেসব জানালা দিয়ে সরাসরি রোদ আসে এবং ঘরকে উত্তপ্ত করে তোলে, সেখানে মোটা ও গাঢ় রঙের সুতির পর্দা ব্যবহার করলে তা তাপ প্রবেশে বাধা দেবে এবং ঘরকে তুলনামূলকভাবে শীতল রাখবে।

বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে। সাধারণ বাল্বের পরিবর্তে এনার্জি সেভিং বাল্ব ব্যবহার করলে তা কম তাপ উৎপন্ন করে। এছাড়া, টেবিল ফ্যানের সামনে বরফ ভর্তি পাত্র রেখে দিলে তা ঘরের বাতাসকে ঠান্ডা করতে সাহায্য করতে পারে।