কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি ও মূল হোতা মো. নুরুল ইসলাম নাহিদকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রাজারকুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে উভয়ের বিয়ের বিষয়ে পারিবারিক সম্মতিও তৈরি হয়। এরপর নুরুল ইসলাম বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন ও বিভিন্ন আশ্বাসের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। গত ২৭ এপ্রিল কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ভুক্তভোগীকে পুনরায় প্রতারণামূলকভাবে ধর্ষণ করা হয়। পরে আসামি ভুক্তভোগীকে কোনো সামাজিক স্বীকৃতি না দিয়ে কৌশলে বিদেশে চলে যায়।
সম্প্রতি আসামি নুরুল ইসলাম নাহিদ দেশে ফিরলেও বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং নানা টালবাহানা করতে থাকে। এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে রামু থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
র্যাব-১৫-এর একটি দল মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় ১২ জুন রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল রামু উপজেলার রাজারকুল রাস্তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। মামলা হওয়ার মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি ও মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত নুরুল ইসলাম নাহিদ (৩০) কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের সিকদারপাড়ার আব্দুস সালামের ছেলে। আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।
রিপোর্টারের নাম 

























