জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানের বাবা মাহবুবুল আলম পুলিশের আচরণের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, পুলিশ নিজেদের জনগণের বন্ধু বললেও বাস্তবে তাদের আচরণে এর প্রতিফলন দেখা যায় না। তিনি অভিযোগ করেন, তার ছেলে জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটার হওয়া সত্ত্বেও পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে তিন পুলিশ সদস্য মিলে বেধড়ক মারধর করেছে এবং অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
শনিবার চান্দগাঁওয়ের নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মাহবুবুল আলম বলেন, ‘তারা সম্পূর্ণ অপেশাদার এবং উগ্র আচরণ করেছে নাঈমের সাথে। এই ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের ছাঁটাই করা উচিত, কারণ তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো একটি বাহিনী কলঙ্কিত হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা উচিত।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি জানান, দুজন পুলিশ এবং একজন সোর্স মিলে নাঈম হাসানকে মারধর করেছে। পরিচয় দেওয়ার পরও তারা কর্ণপাত করেনি এবং তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এমনকি আশপাশের লোকজনও তাকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল এবং হেনস্তা না করার অনুরোধ করেছিল, কিন্তু তারা শোনেনি। থানায় নিয়েও তাকে হেনস্তা করা হয় এবং ওসি আরিফ তাকে চোখ নামিয়ে কথা বলতে নির্দেশ দেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
মাহবুবুল আলম জানান, ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি এবং ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। পুলিশ যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে তারা ওপর থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাববেন। তারা ইতিমধ্যে থানায় মামলা করেছেন এবং এখন পুলিশের ওপর নির্ভর করছেন সঠিক ঘটনা উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
রিপোর্টারের নাম 





















