ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হলো প্রোগ্রামিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি। তিনি তরুণ শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করে এটিকে বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলে উল্লেখ করেন।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত জাতীয় হাই স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও যোগ করেন, বিশ্ব এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগে প্রবেশ করেছে, যা মেধাবীদের জন্য বিশ্বব্যাপী সুযোগের দ্বার উন্মুক্ত করেছে। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে আধুনিক প্রযুক্তি, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের সঙ্গে নিজেদের প্রস্তুত করার গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়বে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রোগ্রামিং এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কোনো বিকল্প নেই এবং জাতীয় হাই স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। তিনি সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে জানান, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্ট-আপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে সংযুক্তকরণ এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, দেশের তরুণরাই আগামী দিনের প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে বিকশিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় কুইজ ও প্রোগ্রামিং মিলিয়ে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে মোট ১৭ হাজার ৮৩৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে। আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে প্রোগ্রামিং ও কুইজ বিভাগে মোট ৮৩২ জন প্রতিযোগী জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয়।
রিপোর্টারের নাম 

























