দুই দশক আগে এক আকাশছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ইলন মাস্কের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্স। দীর্ঘ চড়াই-উতরাই পেরিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এখন বিশ্ব মহাকাশ বিজ্ঞানের শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। তাদের এই দীর্ঘ যাত্রায় এমন কিছু মুহূর্ত রয়েছে যা মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসকে চিরতরে বদলে দিয়েছে।
স্পেসএক্সের প্রথম বড় সাফল্য আসে ২০০৮ সালে। টানা তিনটি উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হওয়ার পর চতুর্থ চেষ্টায় কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম হয় তাদের রকেট। ইলন মাস্কের মতে, সেইবার সফল না হলে হয়তো স্পেসএক্সের গল্প সেখানেই শেষ হয়ে যেত। এরপর ২০১২ সালে প্রথম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের ‘ড্রাগন’ মহাকাশযান আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে রসদ পাঠায়, যা ছিল এক বিশাল মাইলফলক।
২০১৫ সালে তারা প্রথমবারের মতো ফ্যালকন ৯ রকেটের বুস্টার সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরিয়ে এনে পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট যুগের সূচনা করে। এরপর ২০১৮ সালে তারা মহাকাশে পাঠায় বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রকেট ‘ফ্যালকন হেভি’। বর্তমানে স্পেসএক্স শুধুমাত্র একটি রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানই নয়, বরং মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























