কবি ইমরুল হাসানের কবিতায় উঠে এসেছে নাগরিক কোলাহল ছেড়ে শেকড়ের টানে গ্রামে ফিরে যাওয়ার এক তীব্র বাসনা। রংপুরের কোনো এক নিভৃত পল্লীতে সাধারণ কৃষকের জীবন যাপন করার স্বপ্নকে কবি তার শব্দশৈলীতে ফুটিয়ে তুলেছেন। শহরের যান্ত্রিকতা আর গ্রামের সরলতার মধ্যে এক ধরণের তুলনামূলক দ্বান্দ্বিকতা তার কবিতায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
কবিতার চরণে চরণে ফুটে উঠেছে নব্বই দশকের নস্টালজিয়া এবং বৃষ্টির দিনে জানালার পাশে বসে থাকা একাকী সময়ের স্মৃতিচারণ। কবির কল্পনায় কখনো সিলেট, কখনো বা রংপুরের মেঠো পথ উঠে আসে। যাপিত জীবনের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি আর প্রিয় মানুষের কথা ভেবে বৃষ্টির দিনে যে বিষণ্ণ মধুর আবহ তৈরি হয়, তা পাঠকদের এক ভিন্ন জগতের অনুভূতি দেয়। কবির এই পঙ্ক্তিমালা মূলত আধুনিক জীবনের জটিলতা থেকে মুক্তির এক শৈল্পিক বহিঃপ্রকাশ।
রিপোর্টারের নাম 

























