ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে গানে ফিরছেন না ক্লোজআপ ওয়ান তারকা রিংকু

চারবার স্ট্রোকের কারণে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সংগীতে আর ফেরা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী মশিউর রহমান রিংকু। বর্তমানে গ্রামের বাড়িতে নিভৃতে সময় কাটানো এই শিল্পী চান তার সৃষ্টি করা গানগুলো যেন হারিয়ে না যায়।

সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে অংশ নিয়ে রিংকু তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা, সংগীতজীবন এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। তিনি জানান, চারবার স্ট্রোক হওয়ার পর তার জীবনযাত্রা আমূল বদলে গেছে এবং পুরোপুরি সংগীতে ফেরার সম্ভাবনা আর নেই। তিনি বলেন, ‘যদি পরিপূর্ণভাবে ব্যাক করতে না পারি, তাহলে ব্যাক করার দরকার নেই। আমি মরে গেলেও গানগুলো তো থাকবে। একটাই আহ্বান আমার, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।’

শহুরে সম্পর্ক ও ভালোবাসা নিয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই লোকসংগীতশিল্পী। তার মতে, শহরের মানুষের ভালোবাসা প্রায়শই কাজের ওপর নির্ভরশীল, যা অস্থায়ী। বিপরীতে গ্রামের মানুষের ভালোবাসা খাঁটি এবং তারাই এখন তার প্রকৃত বন্ধু। তিনি আরও বলেন, ‘যদি কারো কাজ করে দিতাম তাহলে ভালোবাসত, কাজ না করে দিলে আমি নেই, বিষয়টি এমন আরকি।’ ২০২০ সালে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই রিংকু শারীরিকভাবে ভীষণ কষ্টে আছেন। শরীরের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে তার জন্য। এই বাস্তবতা মেনে নিয়েই তিনি এখন গ্রামের মানুষদের সান্নিধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে গানে ফিরছেন না ক্লোজআপ ওয়ান তারকা রিংকু

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

চারবার স্ট্রোকের কারণে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সংগীতে আর ফেরা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী মশিউর রহমান রিংকু। বর্তমানে গ্রামের বাড়িতে নিভৃতে সময় কাটানো এই শিল্পী চান তার সৃষ্টি করা গানগুলো যেন হারিয়ে না যায়।

সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে অংশ নিয়ে রিংকু তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা, সংগীতজীবন এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। তিনি জানান, চারবার স্ট্রোক হওয়ার পর তার জীবনযাত্রা আমূল বদলে গেছে এবং পুরোপুরি সংগীতে ফেরার সম্ভাবনা আর নেই। তিনি বলেন, ‘যদি পরিপূর্ণভাবে ব্যাক করতে না পারি, তাহলে ব্যাক করার দরকার নেই। আমি মরে গেলেও গানগুলো তো থাকবে। একটাই আহ্বান আমার, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।’

শহুরে সম্পর্ক ও ভালোবাসা নিয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই লোকসংগীতশিল্পী। তার মতে, শহরের মানুষের ভালোবাসা প্রায়শই কাজের ওপর নির্ভরশীল, যা অস্থায়ী। বিপরীতে গ্রামের মানুষের ভালোবাসা খাঁটি এবং তারাই এখন তার প্রকৃত বন্ধু। তিনি আরও বলেন, ‘যদি কারো কাজ করে দিতাম তাহলে ভালোবাসত, কাজ না করে দিলে আমি নেই, বিষয়টি এমন আরকি।’ ২০২০ সালে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই রিংকু শারীরিকভাবে ভীষণ কষ্টে আছেন। শরীরের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে তার জন্য। এই বাস্তবতা মেনে নিয়েই তিনি এখন গ্রামের মানুষদের সান্নিধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।