ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে এগোচ্ছে সরকার

দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও স্থিতিশীল করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। শনিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সৃজনশীল শিল্প এবং ক্রীড়া খাতের মতো নতুন নতুন বৈশ্বিক ক্ষেত্রগুলোতে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৬ সালকে সামনে রেখে অর্থনৈতিক কূটনীতির একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ঝুঁকি মোকাবিলা করে প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ আরও সক্ষম হয়ে উঠবে। স্থিতিশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের নামে হত্যা মামলা

অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে এগোচ্ছে সরকার

আপডেট সময় : ১১:৩৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও স্থিতিশীল করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। শনিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সৃজনশীল শিল্প এবং ক্রীড়া খাতের মতো নতুন নতুন বৈশ্বিক ক্ষেত্রগুলোতে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৬ সালকে সামনে রেখে অর্থনৈতিক কূটনীতির একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ঝুঁকি মোকাবিলা করে প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ আরও সক্ষম হয়ে উঠবে। স্থিতিশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।