ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যার নেপথ্যে ভারত, শান্তিচুক্তি বাতিল বা সংস্কারের দাবি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে ভারত। বক্তারা বলেছেন, এই সমস্যা জিইয়ে রেখে সুযোগমতো তারা তা ব্যবহার করছে। এই এলাকার শান্তি রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা তুলে ধরা এবং শান্তিচুক্তি বাতিল অথবা সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন তারা। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানোর কথা বলেন বক্তারা। এছাড়া আদিবাসী, নৃগোষ্ঠী, সেটেলার, সেটেলার বাঙালি—এই শব্দগুলো বাদ দিতে হবে। শুধু চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের নিয়ে আলোচনা না করে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে বলেও তারা মত দেন।

বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া) ক্লাবের হেলমেট হলে ‘সমস্যা সংকুল পার্বত্য চট্টগ্রাম : শান্তির অন্বেষণ’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় বিভিন্ন পদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও অন্যান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার বলেছেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের মূল সমস্যার কেন্দ্রে, মূল সমস্যা তৈরি করা এবং এই সমস্যাকে জিইয়ে রাখা, সবকিছুর জন্য একটা মাত্র রাষ্ট্র দায়ী—ভারত। বাকিরা হয়তো ছোটখাটো ভূমিকা রেখেছে। আমাদের সমস্যাটা হলো ভাসুরের নাম মুখে নিতে খুব লজ্জা করে।”

যুগান্তর সম্পাদক আরও বলেন, “মাছের জন্য যেমন পানি দরকার, সেনাবাহিনীর জন্য তো জনসমর্থন দরকার। না হলে তো সে মুভ করতে পারবে না, সেই মুভের রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। কিন্তু এরশাদ গুচ্ছগ্রাম ফর্মুলা নিয়ে আসছিলেন। গুচ্ছগ্রাম ফর্মুলা দিয়ে ভারতের হাতে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রাম তুলে দেওয়া হয়। কারণ গুচ্ছগ্রাম যে সারা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যে বাঙালিরা ছিল সেগুলোকে ক্লোজ করে রাস্তার দুই পাশে শরণার্থী ক্যাম্পে জায়গা দেওয়া হলো। বাংলাদেশের সর্বনাশ হয়ে গেল। এবং যত ইন্টারন্যাশনাল সুযোগ-সুবিধা সব হলো চাকমাদের জন্য। মারমা, গারো, হাজং কারও জন্য কিচ্ছু নেই। আর বাঙালিরা তো মানুষই না। কোনো এনজিও বাঙালিদের পাশে কখনো দাঁড়ায়নি।”

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আরাকান আর্মির প্রধানের অভিনন্দন, নতুন বন্ধুত্বের বার্তা

পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যার নেপথ্যে ভারত, শান্তিচুক্তি বাতিল বা সংস্কারের দাবি

আপডেট সময় : ০৩:১৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে ভারত। বক্তারা বলেছেন, এই সমস্যা জিইয়ে রেখে সুযোগমতো তারা তা ব্যবহার করছে। এই এলাকার শান্তি রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা তুলে ধরা এবং শান্তিচুক্তি বাতিল অথবা সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন তারা। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানোর কথা বলেন বক্তারা। এছাড়া আদিবাসী, নৃগোষ্ঠী, সেটেলার, সেটেলার বাঙালি—এই শব্দগুলো বাদ দিতে হবে। শুধু চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের নিয়ে আলোচনা না করে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে বলেও তারা মত দেন।

বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া) ক্লাবের হেলমেট হলে ‘সমস্যা সংকুল পার্বত্য চট্টগ্রাম : শান্তির অন্বেষণ’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় বিভিন্ন পদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও অন্যান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার বলেছেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের মূল সমস্যার কেন্দ্রে, মূল সমস্যা তৈরি করা এবং এই সমস্যাকে জিইয়ে রাখা, সবকিছুর জন্য একটা মাত্র রাষ্ট্র দায়ী—ভারত। বাকিরা হয়তো ছোটখাটো ভূমিকা রেখেছে। আমাদের সমস্যাটা হলো ভাসুরের নাম মুখে নিতে খুব লজ্জা করে।”

যুগান্তর সম্পাদক আরও বলেন, “মাছের জন্য যেমন পানি দরকার, সেনাবাহিনীর জন্য তো জনসমর্থন দরকার। না হলে তো সে মুভ করতে পারবে না, সেই মুভের রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। কিন্তু এরশাদ গুচ্ছগ্রাম ফর্মুলা নিয়ে আসছিলেন। গুচ্ছগ্রাম ফর্মুলা দিয়ে ভারতের হাতে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রাম তুলে দেওয়া হয়। কারণ গুচ্ছগ্রাম যে সারা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যে বাঙালিরা ছিল সেগুলোকে ক্লোজ করে রাস্তার দুই পাশে শরণার্থী ক্যাম্পে জায়গা দেওয়া হলো। বাংলাদেশের সর্বনাশ হয়ে গেল। এবং যত ইন্টারন্যাশনাল সুযোগ-সুবিধা সব হলো চাকমাদের জন্য। মারমা, গারো, হাজং কারও জন্য কিচ্ছু নেই। আর বাঙালিরা তো মানুষই না। কোনো এনজিও বাঙালিদের পাশে কখনো দাঁড়ায়নি।”