বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র একদিন আগে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমালিয়ার রেফারি ওমর আবদুলকাদির আরতানকে সে দেশে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক ফুটবল তারকা ইয়ান রাইট। এই ঘটনাকে তিনি ‘বিশৃঙ্খলার বিশ্বকাপ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় রাইট বলেন, “প্রতি কয়েক ঘণ্টা পরপরই নতুন একটি গল্প সামনে আসছে। কখনো সমর্থক, কখনো খেলোয়াড়, কখনো কর্মকর্তা, এখন আবার রেফারিকেও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আমি হাসছি ঠিকই, কিন্তু বিষয়টি মোটেও হাসির নয়। কিছু একটা বলা দরকার।”
ফিফা মনোনীত ৫২ জন ম্যাচ কর্মকর্তার অন্যতম ছিলেন সোমালিয়ার ওমর আবদুলকাদির আরতান। তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম সোমালি রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু মিয়ামি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত কর্তৃপক্ষ তাকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর দেশে প্রবেশের অনুমতি না দিয়েই ফেরত পাঠায়। তার কাছে বৈধ ভিসা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনা ঘটে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন ‘ভেটিং সংক্রান্ত উদ্বেগের’ কথা উল্লেখ করে আরতানকে অযোগ্য ঘোষণা করে। পরে ফিফাও নিশ্চিত করে যে আরতান আর বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ইয়ান রাইট ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং বিশ্বকাপের আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
শুধু আরতানের ঘটনাই নয়, বিশ্বকাপের আগে ভিসা ও প্রবেশাধিকার নিয়ে আরও কয়েকটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইরানের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও স্টাফ এখনও ভিসা সমস্যায় ভুগছেন। কিছু দেশের সমর্থকদের ক্ষেত্রেও ভ্রমণসংক্রান্ত জটিলতার খবর এসেছে। এসব কারণেই বিশ্বকাপকে ‘বিশৃঙ্খলার বিশ্বকাপ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন রাইট। এদিকে ফিফা জানিয়েছে, কোনো দেশের ভিসা বা অভিবাসন নীতির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। আয়োজক দেশের সরকারই শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয় কে ভিসা পাবে এবং কে পাবে না।
রিপোর্টারের নাম 

























