আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাতে পর্দা উঠতে চলেছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬’-এর। তবে ফুটবল মহোৎসবের এই আয়োজন শুরু হওয়ার আগেই বিভিন্ন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। সর্বশেষ ঘটনায়, বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও সোমালিয়ার রেফারি ওমর আরতানকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে বাধা দেয়। সোমালিয়ার ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বার্তা সংস্থা এএফসিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) এবং ফিফাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, তবে ঠিক কী কারণে বিশ্বকাপে দায়িত্বপ্রাপ্ত এই রেফারিকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। উল্লেখ্য, সোমালিয়া বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে একটি। ফিফার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্বাগতিক দেশের ভিসা ও অভিবাসন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তাদের কিছু করার নেই।
এদিকে, বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে ইরান ফুটবল ফেডারেশন দাবি করেছে যে, ফিফা তাদের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিট বাতিল করেছে। নিজ দেশের খেলা মাঠে বসে দেখার জন্য যেসব সমর্থক আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তারা এখন ম্যাচ দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের অভিযোগ, বিশ্বকাপে সমর্থকদের উপস্থিতি কম রাখার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ফিফা তাদের টিকিট বরাদ্দ বাতিল করেছে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশ তাদের প্রতিটি ম্যাচের মোট টিকিটের আট শতাংশ বরাদ্দ পায়, যা ফেডারেশনের মাধ্যমে সমর্থকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়। ইরানও এই নিয়ম অনুযায়ী টিকিট পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইরান ফুটবল ফেডারেশন (এফএফআইআরআই) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘একটি অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরান ফুটবল ফেডারেশনের টিকিট বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় দলের সমর্থকদের মধ্যে একটি টিকিটও সরবরাহ করতে পারছে না ফেডারেশন।’ এর আগেও ইরানের খেলোয়াড়রা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেলেও তাদের দলের কিছু কর্মকর্তা ও সাপোর্ট স্টাফ ভিসা পাননি। শর্তসাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেয়েছেন ইরানের ফুটবলাররা, যেখানে তাদের বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মার্কিন মুলুক ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিহাসে এমন ঘটনা নজিরবিহীন।
রিপোর্টারের নাম 

























