ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধে অবৈধ দখল: হুমকির মুখে জনপদ

সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের অভ্যন্তরে সরকারি খাস জমি দখল করে বালুর স্তূপ ও ডকইয়ার্ড নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই অবৈধ স্থাপনার কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে মূল বাঁধটি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি জায়গা দখল করে সেখানে পাকা অবকাঠামো ও ডকইয়ার্ড নির্মাণ করা হয়েছে। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আত্মগোপনে গেলেও প্রভাব খাটিয়ে তাদের ব্যবসা চলমান রেখেছেন। যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে এখানে স্তূপ করে রাখায় পরিবেশের পাশাপাশি বাঁধের স্থায়িত্বও সংকটে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই অবৈধ দখলের ফলে তাদের আবাদি জমি ও বসতভিটা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাঁধের নিচের জায়গাটি সম্পূর্ণ সরকারি এবং সেখানে স্থাপনা নির্মাণ বেআইনি। জনস্বার্থে দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন শহরবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধে অবৈধ দখল: হুমকির মুখে জনপদ

আপডেট সময় : ১২:২৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের অভ্যন্তরে সরকারি খাস জমি দখল করে বালুর স্তূপ ও ডকইয়ার্ড নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই অবৈধ স্থাপনার কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে মূল বাঁধটি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি জায়গা দখল করে সেখানে পাকা অবকাঠামো ও ডকইয়ার্ড নির্মাণ করা হয়েছে। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আত্মগোপনে গেলেও প্রভাব খাটিয়ে তাদের ব্যবসা চলমান রেখেছেন। যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে এখানে স্তূপ করে রাখায় পরিবেশের পাশাপাশি বাঁধের স্থায়িত্বও সংকটে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই অবৈধ দখলের ফলে তাদের আবাদি জমি ও বসতভিটা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাঁধের নিচের জায়গাটি সম্পূর্ণ সরকারি এবং সেখানে স্থাপনা নির্মাণ বেআইনি। জনস্বার্থে দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন শহরবাসী।