ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ইরাকে কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: দূতাবাসকে মন্ত্রণালয়ের চিঠি

ইরাকে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে মতামত জানতে বাগদাদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে চিঠি পাঠিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। অভিযুক্ত লেবার কাউন্সেলর এবং রাষ্ট্রদূতের কাছে পাঠানো এই চিঠিতে সাত কার্যদিবসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট শাখা-৩ এর সহকারী সচিব আবু তাহের স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি চিঠি রোববার ইস্যু করা হয়। এর আগে, একটি জাতীয় দৈনিকে ‘অনিয়ম ঢাকতে সার্ভার ত্রুটির দোহাই লেবার কাউন্সেলরের’ শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব অনিয়মের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ইরাকস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) আমির আব্দুল্লাহ মো. মঞ্জুরুল করিম ৫ হাজার ৪০০ কর্মীর চাহিদাপত্র গোপনে ওভারসিজ অ্যামপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্মে (ওইপি) পাঠিয়েছেন। এরপর মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে তিনি তা বাতিল করেন। এসব চাহিদাপত্র এ. এস ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম এজেন্সি (আরএল-১৬২৭) নামক একটি রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর কাউন্সেলর মঞ্জুরুল করিম নিজের কারসাজি ও অনিয়ম ঢাকতে সার্ভারের ‘নিখুঁত’ ভুলকে দায়ী করেন এবং দায়মুক্তির চেষ্টা করেন।

এছাড়াও, প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রত্যেক চাহিদাপত্রের জন্য পাঁচ হাজার টাকা করে লেনদেনের অভিযোগ করা হয়, যা মোট ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা দাঁড়ায়। মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট শাখার প্রধান এজেডএম নুরুল হক জানিয়েছেন, এই প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং এ বিষয়ে মতামত চেয়ে দূতাবাসে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ

ইরাকে কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: দূতাবাসকে মন্ত্রণালয়ের চিঠি

আপডেট সময় : ০৯:২৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

ইরাকে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে মতামত জানতে বাগদাদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে চিঠি পাঠিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। অভিযুক্ত লেবার কাউন্সেলর এবং রাষ্ট্রদূতের কাছে পাঠানো এই চিঠিতে সাত কার্যদিবসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট শাখা-৩ এর সহকারী সচিব আবু তাহের স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি চিঠি রোববার ইস্যু করা হয়। এর আগে, একটি জাতীয় দৈনিকে ‘অনিয়ম ঢাকতে সার্ভার ত্রুটির দোহাই লেবার কাউন্সেলরের’ শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব অনিয়মের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ইরাকস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) আমির আব্দুল্লাহ মো. মঞ্জুরুল করিম ৫ হাজার ৪০০ কর্মীর চাহিদাপত্র গোপনে ওভারসিজ অ্যামপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্মে (ওইপি) পাঠিয়েছেন। এরপর মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে তিনি তা বাতিল করেন। এসব চাহিদাপত্র এ. এস ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম এজেন্সি (আরএল-১৬২৭) নামক একটি রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর কাউন্সেলর মঞ্জুরুল করিম নিজের কারসাজি ও অনিয়ম ঢাকতে সার্ভারের ‘নিখুঁত’ ভুলকে দায়ী করেন এবং দায়মুক্তির চেষ্টা করেন।

এছাড়াও, প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রত্যেক চাহিদাপত্রের জন্য পাঁচ হাজার টাকা করে লেনদেনের অভিযোগ করা হয়, যা মোট ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা দাঁড়ায়। মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট শাখার প্রধান এজেডএম নুরুল হক জানিয়েছেন, এই প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং এ বিষয়ে মতামত চেয়ে দূতাবাসে চিঠি পাঠানো হয়েছে।