ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

আগামী ৫ বছরে ১ কোটি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য সরকারের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতে বড় ধরনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামী ৫ বছরের মধ্যে ১ কোটি দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে বর্তমানে সারা দেশে ১১০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫৫টি ভিন্ন ভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং দালালদের দৌরাত্ব্য বন্ধ করতে সরকার ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্ল্যাটফর্ম (ওইপি)’ চালু করেছে। এর ফলে পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়া এখন আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে।

এছাড়া, দালাল বা সাব-এজেন্টদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনতে নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ হেল্প ডেস্কসহ নানা সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কাজ চলমান রয়েছে। দক্ষ কর্মী তৈরির মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৮ ফিলিস্তিনি নিহত, ১৭ আহত

আগামী ৫ বছরে ১ কোটি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য সরকারের

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতে বড় ধরনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামী ৫ বছরের মধ্যে ১ কোটি দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে বর্তমানে সারা দেশে ১১০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫৫টি ভিন্ন ভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং দালালদের দৌরাত্ব্য বন্ধ করতে সরকার ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্ল্যাটফর্ম (ওইপি)’ চালু করেছে। এর ফলে পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়া এখন আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে।

এছাড়া, দালাল বা সাব-এজেন্টদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনতে নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ হেল্প ডেস্কসহ নানা সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কাজ চলমান রয়েছে। দক্ষ কর্মী তৈরির মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।