প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার আগেই বড় ধরনের কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই আংশিক ফলাফল ফাঁস হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল গত ৮ জুলাই চূড়ান্ত করা হয়। প্রস্তুতকৃত ফলাফল ওয়েব পোর্টালে আপলোড করার জন্য প্রয়োজনীয় লিংক তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মেহতাব কায়েসকে। তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশের আগে যেন ফলাফল ওয়েব পোর্টালে আপলোড না করা হয়।
তবে, ৯ জুলাই সকাল ১০টায় ঢাকা বিভাগের ৯টি জেলার ফলাফল ওই লিংকসমূহে আপলোড করা হয়। অল্প সময়ের জন্য সচল থাকা এই লিংকগুলো থেকে সাধারণ ব্যবহারকারীরা ফলাফল ডাউনলোড করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে। ফলে কর্তৃপক্ষের বিনাঅনুমতিতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের এই ঘটনার তদন্ত এবং বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংস্থাটির পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. মিরাজুল ইসলাম উকিলের নেতৃত্বাধীন কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন – শিক্ষা অফিসার (উপবৃত্তি বিভাগ) মো. জিয়াউল কবির সুমন এবং সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-২) মোছাম্মদ রোখসানা হায়দার।
কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে বর্ণিত ঘটনা তদন্তপূর্বক বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, অভিযুক্তের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শীনা ফেরদৌসী মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, কিন্ডারগার্টেনসহ সাধারণ সরকারি স্কুলে বৃত্তি চালু করে জনগণের থেকে পাওয়া প্রশংসা এখন অদক্ষতা আর স্যাবোটাজের কবলে পড়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই কিছু কিছু জায়গায় ফাঁস হওয়ায় শিক্ষক ও অভিভাবকরা বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছেন এবং অনেকেই ফেসবুকে পাওয়া ফল নিয়ে মিষ্টিমুখ করলেও একই সাথে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























