ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ৪ জেলায় ৩০ জনের মৃত্যু, বিপর্যস্ত জনপদ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আষাঢ়ের বিদায়লগ্নে মৌসুমী বায়ুর সক্রিয় প্রভাবে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে অবিরাম বর্ষণ। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। গত তিন দিনের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে পাহাড়ধসের পৃথক ঘটনায় চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও কক্সবাজারে অন্তত ৩০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শুধু রাঙামাটি জেলাতেই ৯৮টি স্থানে পাহাড়ধসের খবর পাওয়া গেছে।

টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। পাহাড়ধস ও প্লাবনের আশঙ্কায় দুর্গত এলাকার লাখো মানুষ বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে ২৩৪ মিলিমিটার। এছাড়া চট্টগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও তেঁতুলিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ বজলুর রহমান জানিয়েছেন, এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তিনি এই অতিবৃষ্টির জন্য বৈশ্বিক ‘এল নিনো’ প্রভাবকে দায়ী করেছেন এবং বছরজুড়ে অস্বাভাবিক তাপমাত্রা ও অতিবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনেত্রী চমকের পরিবেশবান্ধব জন্মদিন: সুন্দরবনে ৩০০ ম্যানগ্রোভ রোপণ

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ৪ জেলায় ৩০ জনের মৃত্যু, বিপর্যস্ত জনপদ

আপডেট সময় : ১০:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

আষাঢ়ের বিদায়লগ্নে মৌসুমী বায়ুর সক্রিয় প্রভাবে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে অবিরাম বর্ষণ। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। গত তিন দিনের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে পাহাড়ধসের পৃথক ঘটনায় চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও কক্সবাজারে অন্তত ৩০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শুধু রাঙামাটি জেলাতেই ৯৮টি স্থানে পাহাড়ধসের খবর পাওয়া গেছে।

টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। পাহাড়ধস ও প্লাবনের আশঙ্কায় দুর্গত এলাকার লাখো মানুষ বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে ২৩৪ মিলিমিটার। এছাড়া চট্টগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও তেঁতুলিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ বজলুর রহমান জানিয়েছেন, এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তিনি এই অতিবৃষ্টির জন্য বৈশ্বিক ‘এল নিনো’ প্রভাবকে দায়ী করেছেন এবং বছরজুড়ে অস্বাভাবিক তাপমাত্রা ও অতিবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন।