ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি: প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

টানা পাঁচ দিনের অতিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা এবং জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের আওতাধীন সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সাপ্তাহিকসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু করে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, বন্যায় জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে সাতকানিয়া উপজেলার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা বর্তমানে পানির নিচে। এছাড়া চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও বাঁশখালীসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানুষের জানমাল রক্ষা করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে জেলা প্রশাসক জানান, ইতোমধ্যে সরকারি তহবিল থেকে চাল ও নগদ অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যেখানে শুকনো খাবার ও চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মীদের মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনেত্রী চমকের পরিবেশবান্ধব জন্মদিন: সুন্দরবনে ৩০০ ম্যানগ্রোভ রোপণ

চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি: প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল

আপডেট সময় : ১০:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

টানা পাঁচ দিনের অতিবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা এবং জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের আওতাধীন সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সাপ্তাহিকসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু করে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, বন্যায় জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে সাতকানিয়া উপজেলার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা বর্তমানে পানির নিচে। এছাড়া চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও বাঁশখালীসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানুষের জানমাল রক্ষা করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে জেলা প্রশাসক জানান, ইতোমধ্যে সরকারি তহবিল থেকে চাল ও নগদ অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যেখানে শুকনো খাবার ও চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মীদের মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।