ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

৫৩০০ বছর পরেও সচল বরফমানব ওতজির শরীরের অণুজীব

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ইতালীয় আল্পস পর্বতমালায় পাওয়া তাম্রযুগের শিকারি ওতজির মমিটি নিয়ে নতুন এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে এসেছে। ৫ হাজার ৩০০ বছর আগে তীরের আঘাতে নিহত এই বরফমানবের মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য হিমাঙ্কের নিচে রাখা হলেও, গবেষকরা লক্ষ্য করেছেন যে তার শরীরের ভেতর অণুজীবগুলো এখনও সক্রিয় রয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞান ও গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে যে, ওতজির অন্ত্রে থাকা প্রাচীন ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্টের প্রজাতিগুলো কেবল টিকে আছে তা নয়, বরং তারা পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে বিকশিত হচ্ছে।

গবেষকদের মতে, ওতজির অন্ত্রে পাওয়া ব্যাকটেরিয়াগুলো তার শেষ আহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা থেকে সেই সময়ের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। আশ্চর্যজনকভাবে, এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর মধ্যে এমন কিছু প্রজাতি রয়েছে যা আধুনিক মানুষের শরীর থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেলেও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিচ্ছিন্ন জনপদগুলোতে এখনও টিকে আছে। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, গবেষণাগারের জীবাণুনাশক রাসায়নিক খেয়েও কিছু ইস্টের বংশবৃদ্ধি হচ্ছে, যা প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এই অণুজীবদের টিকে থাকার নজিরবিহীন ক্ষমতা গবেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে যে, প্রাচীন নিদর্শনগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে ধ্বংসের হাত থেকে কীভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপজুড়ে ভয়াবহ দাবানল: হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত, ট্যুর দ্য ফ্রান্সের ধাপে নিষেধাজ্ঞা

৫৩০০ বছর পরেও সচল বরফমানব ওতজির শরীরের অণুজীব

আপডেট সময় : ১০:২৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

ইতালীয় আল্পস পর্বতমালায় পাওয়া তাম্রযুগের শিকারি ওতজির মমিটি নিয়ে নতুন এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে এসেছে। ৫ হাজার ৩০০ বছর আগে তীরের আঘাতে নিহত এই বরফমানবের মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য হিমাঙ্কের নিচে রাখা হলেও, গবেষকরা লক্ষ্য করেছেন যে তার শরীরের ভেতর অণুজীবগুলো এখনও সক্রিয় রয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞান ও গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে যে, ওতজির অন্ত্রে থাকা প্রাচীন ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্টের প্রজাতিগুলো কেবল টিকে আছে তা নয়, বরং তারা পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে বিকশিত হচ্ছে।

গবেষকদের মতে, ওতজির অন্ত্রে পাওয়া ব্যাকটেরিয়াগুলো তার শেষ আহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা থেকে সেই সময়ের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। আশ্চর্যজনকভাবে, এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর মধ্যে এমন কিছু প্রজাতি রয়েছে যা আধুনিক মানুষের শরীর থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেলেও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিচ্ছিন্ন জনপদগুলোতে এখনও টিকে আছে। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, গবেষণাগারের জীবাণুনাশক রাসায়নিক খেয়েও কিছু ইস্টের বংশবৃদ্ধি হচ্ছে, যা প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এই অণুজীবদের টিকে থাকার নজিরবিহীন ক্ষমতা গবেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে যে, প্রাচীন নিদর্শনগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে ধ্বংসের হাত থেকে কীভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে।