ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে তার বড় বোনের সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে। নবীনগর পৌরসভার নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. আবদুল্লাহ (৯) নামের ওই শিশুকে গত রোববার (৬ জুলাই) মাদ্রাসার সামনে থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন তার মা। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং শিশুটিকে উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
অপহৃত আবদুল্লাহ নারায়ণপুর গ্রামের মো. নবী মিয়ার ছেলে। তার মা মোছা. সুফিয়া বেগম জানান, চার বছর আগে তার মেয়ে রিমা আক্তারের সঙ্গে আলমনগর গ্রামের মো. খলিল মিয়ার বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু খলিলের উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণে এক মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এই বিচ্ছেদের জের ধরেই খলিল মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে আবদুল্লাহকে অপহরণ করেছে বলে দাবি সুফিয়া বেগমের। তিনি আরও জানান, বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই খলিল তাদের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল।
রোববার সকালে আবদুল্লাহ মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে খলিল মিয়া ও তার সহযোগীরা মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে আবদুল্লাহর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সুফিয়া বেগম রোববার দুপুরে নবীনগর থানায় খলিল মিয়া ও তার বাবা নুরুন্নবী মিয়ার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি রফিকুল ইসলাম এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে বলেন, “ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে আবদুল্লাহকে উদ্ধার এবং এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদুল আলম চৌধুরী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























