ঈদুল আজহায় টানা কয়েকদিন ভারী ও মাংসজাতীয় খাবার খাওয়ার পর অনেকেরই হজমজনিত সমস্যা বা অরুচি দেখা দেয়। এর ওপর মৃদু তাপপ্রবাহের কারণে শরীর ক্লান্ত ও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্যতালিকায় হালকা ও পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি। লাউ-চিংড়ি হতে পারে ঈদের পরবর্তী সময়ের জন্য একটি আদর্শ এবং সহজপাচ্য পদ।
লাউ শরীরে পানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি শরীরকে শীতল রাখতে সহায়তা করে। অন্যদিকে চিংড়ি মাছ প্রোটিনের চমৎকার উৎস। রান্নার ক্ষেত্রে কম তেল ও মসলা ব্যবহার করলে এটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। লাউ, চিংড়ি, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ও ধনেপাতার সংমিশ্রণে তৈরি এই পদটি গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করলে তা যেমন রুচি বাড়াবে, তেমনি শরীরকেও রাখবে সতেজ।
রিপোর্টারের নাম 
























