ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামে পাউবোর বাঁধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যার তাণ্ডবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীনস্থ প্রধান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প, স্লুইসগেট, খালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জলকাঠামোর ব্যাপক ও অভূতপূর্ব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, বন্যায় ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এসব জাতীয় অবকাঠামো পুনরায় নির্মাণ ও জরুরি সংস্কার করতে দেড়শ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয় হতে পারে। তবে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনো অব্যাহত থাকায় চূড়ান্ত ব্যয়ের পরিমাণ ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

পাউবোর দায়িত্বশীল নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় শতাধিক পৃথক স্থানে নদী নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভাঙন, নদীতীর ধস এবং গুরুত্বপূর্ণ নানা ধরনের জলকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভৌগোলিক বিচারে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, বাঁশখালী, আনোয়ারা, লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, পটিয়া, চন্দনাইশ ও উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ উপজেলায়। এর পাশাপাশি পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার কয়েকটি এলাকাও সাম্প্রতিক প্লাবনের আঘাতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংগৃহীত প্রাথমিক উপাত্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বিভাগ-১-এর সরাসরি আওতায় থাকা ৭৪টি স্থাপনায় প্রায় ২২ কোটি ৯১ লাখ টাকার অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে বিভাগ-২-এর আওতায় থাকা ৯৩টি স্থাপনায় প্রায় ৮৬ কোটি ৯২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি নথিভুক্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে কেবল এই দুই বিভাগের যৌথ মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

এদিকে পার্বত্য অঞ্চলের রাঙামাটি পানি উন্নয়ন বিভাগের আওতাধীন ১০২টি বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে প্রায় ৮ দশমিক ৫৩ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকায় ভাঙন ও ধস দেখা দিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হওয়া এসব পাহাড়ি অবকাঠামো পুনর্বাসনে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা জরুরি প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে পাউবো। সার্বিক হিসাবে পুরো চট্টগ্রাম বিভাগে ক্ষয়ক্ষতির এই প্রাথমিক পরিমাণ দেড়শ কোটি টাকার ঘর ছাড়িয়ে গেছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়িতে প্রমত্তা হালদা ও ধুরং নদীর প্রধান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, একাধিক নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প এবং সংযোগ সড়কে বড় ধরনের ক্ষতি সাধিত হয়েছে। পাশাপাশি হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া ও রাউজান এলাকায় হালদা, কর্ণফুলী ও ইছামতী নদীর তীর ভয়াবহভাবে ভেঙে গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে সুরক্ষা বাঁধ সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণের আনোয়ারা, লোহাগাড়া ও সাতকানিয়ায় উপকূলীয় পোল্ডার, সাঙ্গু ও ডলু নদীর তীররক্ষা বাঁধসহ বিভিন্ন খালের প্রতিরক্ষা অবকাঠামো ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বাঁশখালীতে উপকূলীয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, প্রবাহমান খালের পাড়, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্লুইসগেট এবং ফ্ল্যাপগেট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

অন্যদিকে পার্বত্য খাগড়াছড়ির দীঘিনালা, সদর ও মাটিরাঙ্গা উপজেলায় পাহাড়ি নদী মাইনী ও চেঙ্গীর ভয়াবহ তীরভাঙনে ব্যাপক ক্ষতি নথিভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে কয়েকটি প্রধান স্লুইসগেট এবং সীতাকুণ্ডে একটি মূল রেগুলেটর স্লুইসও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাউবোর সরেজমিন মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা জানান, এটি ক্ষয়ক্ষতির কেবল প্রাথমিক একটি খসড়া তালিকা। বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় দল গঠন করে তথ্য সংগ্রাহকদের কাজ এখনও জোরকদমে চলছে। চূড়ান্ত প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তুত হলে সামগ্রিক ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ আরও কিছুটা বাড়তে পারে। তবে নতুন করে নদীভাঙন ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার ঝুঁকি দ্রুত এড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ, নদীতীর ও ক্ষতিগ্রস্ত জলকাঠামো জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক সংস্কারের বড় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সার্বিক পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ, নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প, স্লুইসগেট ও অন্যান্য অবকাঠামোর প্রাথমিক প্রস্তুতকৃত তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আমাদের মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলীরা এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত নিরূপণ ও পরিমাপের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। যেসব স্থানে ক্ষতির তীব্রতা ও ঝুঁকি বেশি, সেগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা প্রথম ধাপে জরুরি মেরামতের উদ্যোগ নিচ্ছি। পাশাপাশি চিরস্থায়ী পুনর্বাসন ও নতুন করে টেকসই পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্পের রূপরেখা ও বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত প্রস্তাব পাঠানো হবে, যাতে ভবিষ্যতে যেকোনো বড় ধরনের বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি আরও কার্যকরভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

সিট বেল্ট ছাড়া ড্রাইভিং ও ফোনে কথায় হবে এআই মামলা

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামে পাউবোর বাঁধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট সময় : ০২:৪৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যার তাণ্ডবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীনস্থ প্রধান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প, স্লুইসগেট, খালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জলকাঠামোর ব্যাপক ও অভূতপূর্ব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, বন্যায় ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এসব জাতীয় অবকাঠামো পুনরায় নির্মাণ ও জরুরি সংস্কার করতে দেড়শ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয় হতে পারে। তবে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনো অব্যাহত থাকায় চূড়ান্ত ব্যয়ের পরিমাণ ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

পাউবোর দায়িত্বশীল নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় শতাধিক পৃথক স্থানে নদী নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভাঙন, নদীতীর ধস এবং গুরুত্বপূর্ণ নানা ধরনের জলকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভৌগোলিক বিচারে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, বাঁশখালী, আনোয়ারা, লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, পটিয়া, চন্দনাইশ ও উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ উপজেলায়। এর পাশাপাশি পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার কয়েকটি এলাকাও সাম্প্রতিক প্লাবনের আঘাতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংগৃহীত প্রাথমিক উপাত্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বিভাগ-১-এর সরাসরি আওতায় থাকা ৭৪টি স্থাপনায় প্রায় ২২ কোটি ৯১ লাখ টাকার অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে বিভাগ-২-এর আওতায় থাকা ৯৩টি স্থাপনায় প্রায় ৮৬ কোটি ৯২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি নথিভুক্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে কেবল এই দুই বিভাগের যৌথ মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

এদিকে পার্বত্য অঞ্চলের রাঙামাটি পানি উন্নয়ন বিভাগের আওতাধীন ১০২টি বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে প্রায় ৮ দশমিক ৫৩ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকায় ভাঙন ও ধস দেখা দিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হওয়া এসব পাহাড়ি অবকাঠামো পুনর্বাসনে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা জরুরি প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে পাউবো। সার্বিক হিসাবে পুরো চট্টগ্রাম বিভাগে ক্ষয়ক্ষতির এই প্রাথমিক পরিমাণ দেড়শ কোটি টাকার ঘর ছাড়িয়ে গেছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়িতে প্রমত্তা হালদা ও ধুরং নদীর প্রধান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, একাধিক নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প এবং সংযোগ সড়কে বড় ধরনের ক্ষতি সাধিত হয়েছে। পাশাপাশি হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া ও রাউজান এলাকায় হালদা, কর্ণফুলী ও ইছামতী নদীর তীর ভয়াবহভাবে ভেঙে গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে সুরক্ষা বাঁধ সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণের আনোয়ারা, লোহাগাড়া ও সাতকানিয়ায় উপকূলীয় পোল্ডার, সাঙ্গু ও ডলু নদীর তীররক্ষা বাঁধসহ বিভিন্ন খালের প্রতিরক্ষা অবকাঠামো ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বাঁশখালীতে উপকূলীয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, প্রবাহমান খালের পাড়, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্লুইসগেট এবং ফ্ল্যাপগেট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

অন্যদিকে পার্বত্য খাগড়াছড়ির দীঘিনালা, সদর ও মাটিরাঙ্গা উপজেলায় পাহাড়ি নদী মাইনী ও চেঙ্গীর ভয়াবহ তীরভাঙনে ব্যাপক ক্ষতি নথিভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে কয়েকটি প্রধান স্লুইসগেট এবং সীতাকুণ্ডে একটি মূল রেগুলেটর স্লুইসও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাউবোর সরেজমিন মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা জানান, এটি ক্ষয়ক্ষতির কেবল প্রাথমিক একটি খসড়া তালিকা। বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় দল গঠন করে তথ্য সংগ্রাহকদের কাজ এখনও জোরকদমে চলছে। চূড়ান্ত প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তুত হলে সামগ্রিক ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ আরও কিছুটা বাড়তে পারে। তবে নতুন করে নদীভাঙন ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার ঝুঁকি দ্রুত এড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ, নদীতীর ও ক্ষতিগ্রস্ত জলকাঠামো জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক সংস্কারের বড় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সার্বিক পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ, নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প, স্লুইসগেট ও অন্যান্য অবকাঠামোর প্রাথমিক প্রস্তুতকৃত তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আমাদের মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলীরা এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত নিরূপণ ও পরিমাপের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। যেসব স্থানে ক্ষতির তীব্রতা ও ঝুঁকি বেশি, সেগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা প্রথম ধাপে জরুরি মেরামতের উদ্যোগ নিচ্ছি। পাশাপাশি চিরস্থায়ী পুনর্বাসন ও নতুন করে টেকসই পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্পের রূপরেখা ও বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত প্রস্তাব পাঠানো হবে, যাতে ভবিষ্যতে যেকোনো বড় ধরনের বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি আরও কার্যকরভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়।