ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

নালিতাবাড়ীতে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ভেসে গেল ১২০ ফুটের স্টিল সেতু, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন চারজন

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে একটি ১২০ ফুট দীর্ঘ স্টিল সেতু ধসে পড়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ সন্নাসীভিটা এলাকায় চেল্লাখালী নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি পানির তোড়ে ভেসে যায়। সেতুটি ভেঙে পড়ার সময় সেটির ওপর থাকা দুই শিশুসহ চারজন যাত্রী অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন। তারা সাঁতরে পাড়ে উঠতে সক্ষম হন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মেঘালয় পাহাড়ে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানির প্রচণ্ড চাপে সেতুর মাঝখানের অংশটি ভেঙে নদীতে তলিয়ে যায়। এর আগে ২০২০ সালেও একই স্থানে একটি সেতু ঢলের তোড়ে ধ্বংস হয়েছিল। এই সেতুটি বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ওই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঢলের পানি কমলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুটি সংস্কার বা বিকল্প যাতায়াতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এলাকাটি পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণের কাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে কুড়িগ্রামের ৪০ পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ, জিও ব্যাগ বরাদ্দ নেই চরাঞ্চলের জন্য

নালিতাবাড়ীতে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ভেসে গেল ১২০ ফুটের স্টিল সেতু, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন চারজন

আপডেট সময় : ০৫:০১:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে একটি ১২০ ফুট দীর্ঘ স্টিল সেতু ধসে পড়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ সন্নাসীভিটা এলাকায় চেল্লাখালী নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি পানির তোড়ে ভেসে যায়। সেতুটি ভেঙে পড়ার সময় সেটির ওপর থাকা দুই শিশুসহ চারজন যাত্রী অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন। তারা সাঁতরে পাড়ে উঠতে সক্ষম হন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মেঘালয় পাহাড়ে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানির প্রচণ্ড চাপে সেতুর মাঝখানের অংশটি ভেঙে নদীতে তলিয়ে যায়। এর আগে ২০২০ সালেও একই স্থানে একটি সেতু ঢলের তোড়ে ধ্বংস হয়েছিল। এই সেতুটি বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ওই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঢলের পানি কমলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুটি সংস্কার বা বিকল্প যাতায়াতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এলাকাটি পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণের কাজ করছে।