ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সুস্থ থাকতে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার গ্রহণের গুরুত্ব

বর্ষাকালে পেটের বিভিন্ন সমস্যা যেমন—গ্যাস, অম্বল ও বদহজমের প্রকোপ বেড়ে যায়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল খাবারের ধরনই নয়, বরং খাবার গ্রহণের নির্দিষ্ট সময় বজায় রাখাও শরীরের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে মানুষের পরিপাকতন্ত্রের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে দিতে পারে।

মানবদেহ মূলত একটি জৈবিক ছন্দ বা সার্কাডিয়ান রিদম অনুসরণ করে চলে। ঘুম থেকে শুরু করে বিপাকক্রিয়া ও হজম প্রক্রিয়া—সবই এই ছন্দের ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেলে পাকস্থলী হজমের জন্য আগেভাগেই প্রয়োজনীয় পাচক রস ও পিত্তরস নিঃসরণ করতে পারে, যা খাবার দ্রুত হজমে সহায়তা করে এবং শারীরিক অস্বস্তি কমায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, সময়মতো সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার গ্রহণ করলে শরীর পুষ্টি উপাদানগুলো যথাযথভাবে শোষণ করতে পারে। এছাড়া নিয়মিত সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘ বিরতি দিয়ে বা অসময়ে খাবার খেলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

অন্ত্রের সুস্থতায় উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য রক্ষা করাও জরুরি। দুই বেলার খাবারের মধ্যে সঠিক বিরতি থাকলে অন্ত্রের স্বাভাবিক পরিষ্কার প্রক্রিয়া সচল থাকে, যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। তাই সুস্থ থাকতে নির্দিষ্ট সময় মেনে সুষম খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা ব্যর্থ, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি

সুস্থ থাকতে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার গ্রহণের গুরুত্ব

আপডেট সময় : ১২:০২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বর্ষাকালে পেটের বিভিন্ন সমস্যা যেমন—গ্যাস, অম্বল ও বদহজমের প্রকোপ বেড়ে যায়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল খাবারের ধরনই নয়, বরং খাবার গ্রহণের নির্দিষ্ট সময় বজায় রাখাও শরীরের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে মানুষের পরিপাকতন্ত্রের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে দিতে পারে।

মানবদেহ মূলত একটি জৈবিক ছন্দ বা সার্কাডিয়ান রিদম অনুসরণ করে চলে। ঘুম থেকে শুরু করে বিপাকক্রিয়া ও হজম প্রক্রিয়া—সবই এই ছন্দের ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেলে পাকস্থলী হজমের জন্য আগেভাগেই প্রয়োজনীয় পাচক রস ও পিত্তরস নিঃসরণ করতে পারে, যা খাবার দ্রুত হজমে সহায়তা করে এবং শারীরিক অস্বস্তি কমায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, সময়মতো সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার গ্রহণ করলে শরীর পুষ্টি উপাদানগুলো যথাযথভাবে শোষণ করতে পারে। এছাড়া নিয়মিত সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘ বিরতি দিয়ে বা অসময়ে খাবার খেলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

অন্ত্রের সুস্থতায় উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য রক্ষা করাও জরুরি। দুই বেলার খাবারের মধ্যে সঠিক বিরতি থাকলে অন্ত্রের স্বাভাবিক পরিষ্কার প্রক্রিয়া সচল থাকে, যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। তাই সুস্থ থাকতে নির্দিষ্ট সময় মেনে সুষম খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।