ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

‘আব্রাহাম চুক্তি’: ট্রাম্পের নতুন আহ্বান এবং মধ্যপ্রাচ্যের জটিল বাস্তবতা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৌদি আরব ও কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোকে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছেন। তার এই বার্তার পর অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন এবং চুক্তিটি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আব্রাহাম চুক্তি ২০২০ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের বিষয়টি অমীমাংসিত থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। এর ফলে দেশ দুটি ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক খাতে সম্পর্ক জোরদার করার সুযোগ পায়। পরবর্তীতে মরক্কো এবং সুদানও এই চুক্তিতে যোগ দেয়।

তবে, বর্তমান প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে এবং অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরেও তাদের হামলা জোরদার করেছে। এই পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর পক্ষে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। একটি জরিপে দেখা গেছে, ৮১ শতাংশ সৌদি উত্তরদাতা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন। সৌদি আরবও আরব শান্তি পরিকল্পনার প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যেখানে ফিলিস্তিনিদের দুর্দশার অবসান এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার শর্ত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানি নেতাদের ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি ইসরায়েলের, পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের

‘আব্রাহাম চুক্তি’: ট্রাম্পের নতুন আহ্বান এবং মধ্যপ্রাচ্যের জটিল বাস্তবতা

আপডেট সময় : ১১:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৌদি আরব ও কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোকে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছেন। তার এই বার্তার পর অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন এবং চুক্তিটি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আব্রাহাম চুক্তি ২০২০ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের বিষয়টি অমীমাংসিত থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। এর ফলে দেশ দুটি ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক খাতে সম্পর্ক জোরদার করার সুযোগ পায়। পরবর্তীতে মরক্কো এবং সুদানও এই চুক্তিতে যোগ দেয়।

তবে, বর্তমান প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে এবং অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরেও তাদের হামলা জোরদার করেছে। এই পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর পক্ষে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। একটি জরিপে দেখা গেছে, ৮১ শতাংশ সৌদি উত্তরদাতা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন। সৌদি আরবও আরব শান্তি পরিকল্পনার প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যেখানে ফিলিস্তিনিদের দুর্দশার অবসান এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার শর্ত রয়েছে।