ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, ইরান জানালো আলোচনার অগ্রগতি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনা কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি লাভ করলেও, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ইরান। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক একটি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ার পর তেহরানের পক্ষ থেকে এই প্রতিক্রিয়া আসে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক বিবৃতিতে জানান, আলোচনার বিভিন্ন বিষয়ে মতৈক্য হলেও এর মানে এই নয় যে, যেকোনো মুহূর্তে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। তিনি বলেন, ‘আলোচনার বিষয়গুলোর একটি বড় অংশের ক্ষেত্রে আমরা একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পেরেছি। তবে এর অর্থ এই নয় যে, এখনই একটি চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে বলে কেউ দাবি করতে পারবে।’

প্রস্তাবিত চুক্তির খসড়ায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালীর স্বাভাবিক চলাচল পুনরুদ্ধার এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যৎ আলোচনার রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দুই পক্ষ চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পরে তিনি তার প্রতিনিধিদের চুক্তির বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ দেন।

মার্কিন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই চুক্তিটি কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়, বরং ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত তহবিল মুক্তি এবং ইরানের পারমাণবিক আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটনের দাবির মতো জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী আলোচনার জন্য স্থগিত রাখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানি নেতাদের ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি ইসরায়েলের, পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, ইরান জানালো আলোচনার অগ্রগতি

আপডেট সময় : ০৫:৩১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনা কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি লাভ করলেও, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ইরান। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক একটি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ার পর তেহরানের পক্ষ থেকে এই প্রতিক্রিয়া আসে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক বিবৃতিতে জানান, আলোচনার বিভিন্ন বিষয়ে মতৈক্য হলেও এর মানে এই নয় যে, যেকোনো মুহূর্তে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। তিনি বলেন, ‘আলোচনার বিষয়গুলোর একটি বড় অংশের ক্ষেত্রে আমরা একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পেরেছি। তবে এর অর্থ এই নয় যে, এখনই একটি চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে বলে কেউ দাবি করতে পারবে।’

প্রস্তাবিত চুক্তির খসড়ায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালীর স্বাভাবিক চলাচল পুনরুদ্ধার এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যৎ আলোচনার রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দুই পক্ষ চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পরে তিনি তার প্রতিনিধিদের চুক্তির বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ দেন।

মার্কিন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই চুক্তিটি কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়, বরং ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত তহবিল মুক্তি এবং ইরানের পারমাণবিক আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটনের দাবির মতো জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী আলোচনার জন্য স্থগিত রাখা হচ্ছে।