আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীজুড়ে পশুর হাটগুলোর পাশাপাশি গো-খাদ্যের অস্থায়ী বাজারও জমে উঠেছে। হাটের প্রবেশমুখ ও আশপাশের রাস্তায় কাঁচা ঘাস, শুকনো খড়, ভুসি, খৈল, কুঁড়া, ভুট্টা ভাঙা এবং কাঁঠালপাতার মতো বিভিন্ন পশুখাদ্যের দোকান বসেছে। তবে, কোরবানির পশু কেনাবেচা পুরোদমে শুরু না হওয়ায় গো-খাদ্যের বাজার এখনও পুরোপুরি সক্রিয় হয়নি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু নিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা জানান, তারা পর্যাপ্ত গো-খাদ্য সঙ্গে করে এনেছেন। তবে, পশুর সুস্থতা রক্ষায় এবং প্রয়োজনে তারা হাটের আশপাশের দোকান থেকে খাবার কিনবেন। দীর্ঘ যাত্রার পর আসা পশুদের নিয়মিত খাবার ও পানি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, তাই খড়, ভুসি ও ঘাস ছাড়া হাটে টেকা সম্ভব নয় বলে তারা উল্লেখ করেন।
বর্তমানে সীমিত আকারে গো-খাদ্যের বেচাকেনা চলছে, যার প্রধান ক্রেতা মূলত আগাম পশু ক্রেতা এবং হাটের ব্যবসায়ীরা। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, গো-খাদ্যের বিক্রিও তত বাড়বে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে গত বছরের তুলনায় এবার গো-খাদ্যের দাম কিছুটা বেশি বলে জানা গেছে। হাটে বর্তমানে প্রতি আঁটি কাঁচা ঘাস ৮০-১২০ টাকা, ছোট আঁটি শুকনো খড় ২৫-৩০ টাকা, প্রতি কেজি ভুসি ৭০ টাকা, খৈল ৬০-৭০ টাকা, কুঁড়া ৪০ টাকা এবং এক বস্তা কাঁঠালপাতা ১৫০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























