ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

রায় পড়ার সময় যেমন ছিলেন রাজসাক্ষী মামুন

বৈষম‍্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের সর্বোচ্চ সাজা না দিয়ে ৫ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। রায় ঘোষণাকে অনেকটা আধ ঘুমে, ঝিমিয়ে থেকে কিংবা আসামির ডকে থাকা টিভি স্ক্রিনে চোখ রেখে সময় পার করেছেন তিনি।  

সোমবার (১৭ নভেম্বর) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেন।
 
রায়কে কেন্দ্র করে মামুনকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসা হয় সকাল ৯টা ৫ মিনিটে। এরপর মামলার কার্যক্রম শুরু হলে দুপুর ১২টা ৩৪ মিনিটে তাকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানা থেকে আসামির ডকে তোলা হয়্। প্রথমে অন্য দুটি মামলার শুনানি শেষে বৈষম‍্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায়ের জন্য নির্ধারিত শেখ হাসিনাসহ তিন জন অপরাধীর মামলার রায় পড়া শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল-১।

 
ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারপতি মিলে প্রায় ১৯৪ মিনিট ধরে রায় ঘোষণা করেন। আর এই পুরো সময়জুড়ে চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন আসামির ডকে থাকা চেয়ারে বসে আধ ঘুমে, ঝিমিয়ে থেকে কিংবা আসামির ডকে থাকা টিভি স্ক্রিনে চোখ রেখে সময় পার করেছেন। নিজের সাজার রায় শোনার পরও তিনি নিশ্চুপ ছিলেন। রায়ের পরপরই তাকে পুলিশ প্রহরায় পুনরায় ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এই পুরোটা সময় তিনি কারও সঙ্গে কোনও কথা বলেননি। রায়ের পর সাংবাদিকরা দূর থেকে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলেও নিশ্চুপ ছিলেন।


ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডায়াবেটিস রোগীদের রোজা: কখন, কতবার ও কেন রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা জরুরি?

রায় পড়ার সময় যেমন ছিলেন রাজসাক্ষী মামুন

আপডেট সময় : ০৫:০১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

বৈষম‍্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের সর্বোচ্চ সাজা না দিয়ে ৫ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। রায় ঘোষণাকে অনেকটা আধ ঘুমে, ঝিমিয়ে থেকে কিংবা আসামির ডকে থাকা টিভি স্ক্রিনে চোখ রেখে সময় পার করেছেন তিনি।  

সোমবার (১৭ নভেম্বর) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেন।
 
রায়কে কেন্দ্র করে মামুনকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসা হয় সকাল ৯টা ৫ মিনিটে। এরপর মামলার কার্যক্রম শুরু হলে দুপুর ১২টা ৩৪ মিনিটে তাকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানা থেকে আসামির ডকে তোলা হয়্। প্রথমে অন্য দুটি মামলার শুনানি শেষে বৈষম‍্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায়ের জন্য নির্ধারিত শেখ হাসিনাসহ তিন জন অপরাধীর মামলার রায় পড়া শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল-১।

 
ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারপতি মিলে প্রায় ১৯৪ মিনিট ধরে রায় ঘোষণা করেন। আর এই পুরো সময়জুড়ে চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন আসামির ডকে থাকা চেয়ারে বসে আধ ঘুমে, ঝিমিয়ে থেকে কিংবা আসামির ডকে থাকা টিভি স্ক্রিনে চোখ রেখে সময় পার করেছেন। নিজের সাজার রায় শোনার পরও তিনি নিশ্চুপ ছিলেন। রায়ের পরপরই তাকে পুলিশ প্রহরায় পুনরায় ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এই পুরোটা সময় তিনি কারও সঙ্গে কোনও কথা বলেননি। রায়ের পর সাংবাদিকরা দূর থেকে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলেও নিশ্চুপ ছিলেন।