রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে গুজরাট টাইটান্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) শিরোপা জয় করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। টুর্নামেন্টে এটি তাদের টানা দ্বিতীয় শিরোপা। বিরাট কোহলির অপরাজিত ৭৫ রানের এক অসাধারণ ইনিংসের সুবাদে এই জয় আসে।
অহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে বেঙ্গালুরু। উদ্বোধনী জুটিতে বিরাট কোহলি ও ভেঙ্কটেশ আইয়ার মাত্র ৩.৩ ওভারেই ৫০ রান সংগ্রহ করেন। মোহাম্মদ সিরাজের বলে ১৬ বলে ৩২ রান করে ভেঙ্কটেশ আউট হলেও, রান সংগ্রহের গতিতে তেমন ভাটা পড়েনি। দেবদত্ত পাডিক্কালও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। পাওয়ার প্লেতেই দুই উইকেট হারিয়ে ৭০ রান তুলে ম্যাচের ভিত গড়ে ফেলে বেঙ্গালুরু।
মধ্যভাগে রশিদ খানের স্পিন বোলিংয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও, কোহলি এক প্রান্ত আগলে রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। তিনি মাত্র ২৫ বলে অর্ধশতক পূরণ করেন। এরপর টিম ডেভিডের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ এক জুটি গড়ে জয়ের পথ সুগম করেন। যদিও ডেভিড ২৪ রান করে আউট হন, ততক্ষণে ম্যাচ বেঙ্গালুরুর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
একবার জীবন পান কোহলি। ৬৩ রানে থাকা অবস্থায় শুভমন গিল একটি কঠিন ক্যাচ ধরলেও, রিপ্লেতে দেখা যায় বল মাটি স্পর্শ করেছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোহলি শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন। মাত্র ১২ বল বাকি থাকতেই বেঙ্গালুরু জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। জিতেশ শর্মাকে সঙ্গে নিয়ে একটি ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন কোহলি।
এর আগে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পাটিদার। তার এই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন বোলাররা। গুজরাটের দুই প্রধান ব্যাটার শুভমন গিল ও সাই সুদর্শনকে দ্রুত সাজঘরে ফেরান তারা। জশ হ্যাজলউডের বলে ১০ রান করে শুভমন এবং ভুবনেশ্বর কুমারের বাউন্সে ১২ রান করে সুদর্শন আউট হন।
এরপর জস বাটলার, নিশান্ত সিন্ধু ও রাহুল তেওয়াতিয়া বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। একমাত্র ওয়াশিংটন সুন্দর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। একবার জীবন পাওয়ার পর তিনি ৩৭ বলে অপরাজিত ৫০ রান করেন। তার এই ইনিংসের ওপর ভর করে গুজরাট ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে। বেঙ্গালুরুর হয়ে রাসিখ দার ৩টি এবং হ্যাজলউড ও ভুবনেশ্বর ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
রিপোর্টারের নাম 













