ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

প্রেমে পড়লে কি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়? যা বলছে বিজ্ঞান

প্রেমে পড়লে মানুষের চারপাশের পৃথিবীটা হঠাৎ করেই অন্যরকম মনে হতে শুরু করে। প্রিয় মানুষের প্রতিটি আচরণ ও উপস্থিতি অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্নায়ুবিজ্ঞানীদের মতে, এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে মস্তিষ্কের এক জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়া। যখন কেউ প্রেমে পড়ে, তখন মস্তিষ্কের ‘পুরস্কার ব্যবস্থা’ সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং ডোপামিন নামক হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়, যা আনন্দ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করে।

এই অবস্থায় মস্তিষ্ক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এক ধরনের ‘পুরস্কার’ হিসেবে বিবেচনা করে, যার ফলে তার নেতিবাচক দিকগুলো আড়ালে চলে যায় এবং ইতিবাচক দিকগুলো বড় হয়ে দেখা দেয়। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে অনেক সময় ‘নিশ্চয়তা পক্ষপাত’ বলা হয়, যেখানে মানুষ কেবল তার ভালো লাগার বিষয়গুলোকেই গুরুত্ব দেয় এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্যগুলোকে এড়িয়ে চলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রেমের শুরুর দিকে মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ অধিক সক্রিয় থাকলেও যুক্তি ও বিশ্লেষণধর্মী অংশ কিছুটা শিথিল হয়ে পড়ে। এর ফলে মানুষ দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয় এবং সম্পর্কের ঝুঁকিগুলো অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়। মূলত ডোপামিন ও অক্সিটোসিনের মতো হরমোনের প্রভাবে সম্পর্কের এই প্রাথমিক পর্যায়ে বাস্তবতার চেয়ে আবেগই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: বিশ্বকাপে জয়ে ফিরতে মরিয়া হাইতি ও স্কটল্যান্ড

প্রেমে পড়লে কি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়? যা বলছে বিজ্ঞান

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

প্রেমে পড়লে মানুষের চারপাশের পৃথিবীটা হঠাৎ করেই অন্যরকম মনে হতে শুরু করে। প্রিয় মানুষের প্রতিটি আচরণ ও উপস্থিতি অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্নায়ুবিজ্ঞানীদের মতে, এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে মস্তিষ্কের এক জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়া। যখন কেউ প্রেমে পড়ে, তখন মস্তিষ্কের ‘পুরস্কার ব্যবস্থা’ সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং ডোপামিন নামক হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়, যা আনন্দ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করে।

এই অবস্থায় মস্তিষ্ক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এক ধরনের ‘পুরস্কার’ হিসেবে বিবেচনা করে, যার ফলে তার নেতিবাচক দিকগুলো আড়ালে চলে যায় এবং ইতিবাচক দিকগুলো বড় হয়ে দেখা দেয়। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে অনেক সময় ‘নিশ্চয়তা পক্ষপাত’ বলা হয়, যেখানে মানুষ কেবল তার ভালো লাগার বিষয়গুলোকেই গুরুত্ব দেয় এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্যগুলোকে এড়িয়ে চলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রেমের শুরুর দিকে মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ অধিক সক্রিয় থাকলেও যুক্তি ও বিশ্লেষণধর্মী অংশ কিছুটা শিথিল হয়ে পড়ে। এর ফলে মানুষ দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয় এবং সম্পর্কের ঝুঁকিগুলো অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়। মূলত ডোপামিন ও অক্সিটোসিনের মতো হরমোনের প্রভাবে সম্পর্কের এই প্রাথমিক পর্যায়ে বাস্তবতার চেয়ে আবেগই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়।