ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা-প্রত্যাশীদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘেরাও, পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ

দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় থাকা ‘এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম’ (ইপিএস) কর্মীরা পাঁচ দফা দাবিতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীরা ভেতরে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথ বন্ধ করে দেন এবং নানা স্লোগান দেন।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বোয়েসেলের অনিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও রোস্টারভুক্ত হয়েও বহু কর্মী বেকার রয়েছেন। আলি আহমদ নামে এক আন্দোলনকারী বলেন, “ভাষা শিখে রোস্টারভুক্ত হয়েছি, তবুও আমাদের ফাইল কোরিয়ায় পাঠানো হয়নি। আমরা এই সমস্যার অবসান চাই।”

মাছুম মিয়া নামে আরেকজন রোস্টারভুক্ত কর্মী জানান, ভাষা শিক্ষার দুই বছর পার হয়ে গেলে তাদের বাদ দেওয়া হয়, অথচ তারা অনেক কষ্ট ও অর্থ খরচ করে ভাষা শিখেছেন। তিনি বোয়েসেলের আন্তরিকতার অভাবের কথা উল্লেখ করে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান দাবি করেন।

আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলো হলো: রোস্টার থেকে বাদ পড়া ২০২২ ও ২০২৩ ব্যাচের সকল ইপিএস কর্মীকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠাতে হবে; তাদের না পাঠানো পর্যন্ত নতুন কোনো সার্কুলার দেওয়া যাবে না; তারা দক্ষিণ কোরিয়া ছাড়া অন্য কোনো দেশে যাবেন না; দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর জন্য যদি কোনো অফিশিয়াল খরচ লাগে, তবে তারা তা দিতে ইচ্ছুক; এবং ব্যাচ অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা-প্রত্যাশীদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘেরাও, পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০২:৫৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় থাকা ‘এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম’ (ইপিএস) কর্মীরা পাঁচ দফা দাবিতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীরা ভেতরে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথ বন্ধ করে দেন এবং নানা স্লোগান দেন।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বোয়েসেলের অনিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও রোস্টারভুক্ত হয়েও বহু কর্মী বেকার রয়েছেন। আলি আহমদ নামে এক আন্দোলনকারী বলেন, “ভাষা শিখে রোস্টারভুক্ত হয়েছি, তবুও আমাদের ফাইল কোরিয়ায় পাঠানো হয়নি। আমরা এই সমস্যার অবসান চাই।”

মাছুম মিয়া নামে আরেকজন রোস্টারভুক্ত কর্মী জানান, ভাষা শিক্ষার দুই বছর পার হয়ে গেলে তাদের বাদ দেওয়া হয়, অথচ তারা অনেক কষ্ট ও অর্থ খরচ করে ভাষা শিখেছেন। তিনি বোয়েসেলের আন্তরিকতার অভাবের কথা উল্লেখ করে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান দাবি করেন।

আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলো হলো: রোস্টার থেকে বাদ পড়া ২০২২ ও ২০২৩ ব্যাচের সকল ইপিএস কর্মীকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠাতে হবে; তাদের না পাঠানো পর্যন্ত নতুন কোনো সার্কুলার দেওয়া যাবে না; তারা দক্ষিণ কোরিয়া ছাড়া অন্য কোনো দেশে যাবেন না; দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর জন্য যদি কোনো অফিশিয়াল খরচ লাগে, তবে তারা তা দিতে ইচ্ছুক; এবং ব্যাচ অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাতে হবে।