ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

বাগেরহাটে বোরো ধান সংগ্রহ উদ্বোধন: কৃষকদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিতের আশ্বাস

বাগেরহাটে আনুষ্ঠানিকভাবে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সকালে সদর উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ প্রধান অতিথি হিসেবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ দিলোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা আতিয়া খাতুন এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চলতি মৌসুমে সরকার প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ৭ হাজার ৫১৩ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহ করবে। এই লক্ষ্যমাত্রা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে বাগেরহাট সদর ১ হাজার ২১২ মে.টন, মোরেলগঞ্জ ৯৭০ মে.টন, রামপাল ৫৩২ মে.টন, ফকিরহাট ৯৪৫ মে.টন, মোল্লাহাট ৯০৮ মে.টন, কচুয়া ৮৫৩ মে.টন এবং চিতলমারীতে ১ হাজার ৩৬৩ মে.টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সরকারি গুদামে ধান বিক্রির জন্য ধানের আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ থাকতে হবে।

জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, এবার শতভাগ বোরো ধান সংগ্রহের ব্যাপারে সরকার আশাবাদী। প্রান্তিক কৃষকরা যাতে সহজে এবং কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই তাদের উৎপাদিত ধান সরকারি গুদামে বিক্রি করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

বাগেরহাটে বোরো ধান সংগ্রহ উদ্বোধন: কৃষকদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিতের আশ্বাস

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

বাগেরহাটে আনুষ্ঠানিকভাবে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সকালে সদর উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ প্রধান অতিথি হিসেবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ দিলোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা আতিয়া খাতুন এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চলতি মৌসুমে সরকার প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ৭ হাজার ৫১৩ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহ করবে। এই লক্ষ্যমাত্রা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে বাগেরহাট সদর ১ হাজার ২১২ মে.টন, মোরেলগঞ্জ ৯৭০ মে.টন, রামপাল ৫৩২ মে.টন, ফকিরহাট ৯৪৫ মে.টন, মোল্লাহাট ৯০৮ মে.টন, কচুয়া ৮৫৩ মে.টন এবং চিতলমারীতে ১ হাজার ৩৬৩ মে.টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সরকারি গুদামে ধান বিক্রির জন্য ধানের আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ থাকতে হবে।

জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, এবার শতভাগ বোরো ধান সংগ্রহের ব্যাপারে সরকার আশাবাদী। প্রান্তিক কৃষকরা যাতে সহজে এবং কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই তাদের উৎপাদিত ধান সরকারি গুদামে বিক্রি করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।