সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (বার) নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় দুই বছর পর ২০২৬-২৭ সেশনের এই নির্বাচনের পথ খুললেও আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীদের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় নতুন মেরুকরণ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে উৎসবে মেতে উঠলেও, আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা সাধারণ আইনজীবীদের নিয়ে ভোট বর্জনের জোট বেঁধেছেন। তবে জামায়াত ইসলামী, এনসিপি সমর্থিত বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এখন পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে কোনো অভিযোগ তোলেননি।
বিধি অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে সভাপতি, সহ-সভাপতি, সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, সহ-সম্পাদক এবং কার্যকরী কমিটির সদস্য পদসহ মোট ১৪টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দুই দিনব্যাপী ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটি দায়িত্ব পালন করে। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে তিনজন, সহ-সভাপতি পদে চারজন, সম্পাদক পদে সাতজন, কোষাধ্যক্ষ পদে দুজন, সহকারী সম্পাদক পদে পাঁচজন এবং সদস্য পদে ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই নির্বাচনে প্রায় ১২ হাজার আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
সাধারণ আইনজীবীদের মতে, গত বছরগুলোতে সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল, যেখানে বিএনপি-জামায়াত জোটের আইনজীবীদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বেশি ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তলবি সভার নামে অ্যাডহক কমিটি দিয়ে প্রায় দুই বছর বারের দায়িত্ব কুক্ষিগত রাখার ঘটনায় সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বর্তমান অ্যাডহক কমিটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটির সমর্থক আইনজীবীরা এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।
রিপোর্টারের নাম 
























