ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সব মামলায় জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক, মুক্তিতে নেই বাধা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানায় দায়ের করা পৃথক দুটি হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এই জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

আদালতে সাবেক এই প্রধান বিচারপতির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু এবং অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। এর আগে জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। এছাড়া তার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত রায়ে জালিয়াতি এবং প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দুদকসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ইতিপূর্বে অন্যান্য মামলায়ও তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন।

এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালে দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালে অবসরে যাওয়ার পর তিনি তিন দফায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ দুই মামলায় জামিন পাওয়ার মাধ্যমে তার দীর্ঘ কারাবাসের অবসান হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে ‘অসম্ভব চাপ’ অনুভব করছি: প্রধানমন্ত্রী

সব মামলায় জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক, মুক্তিতে নেই বাধা

আপডেট সময় : ০২:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানায় দায়ের করা পৃথক দুটি হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এই জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

আদালতে সাবেক এই প্রধান বিচারপতির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু এবং অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। এর আগে জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। এছাড়া তার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত রায়ে জালিয়াতি এবং প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দুদকসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ইতিপূর্বে অন্যান্য মামলায়ও তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন।

এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালে দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালে অবসরে যাওয়ার পর তিনি তিন দফায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ দুই মামলায় জামিন পাওয়ার মাধ্যমে তার দীর্ঘ কারাবাসের অবসান হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।