দেশে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে অব্যাহত রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্যমতে, কঠোর আইন ও শাস্তির বিধান থাকলেও নারী ও শিশুদের ওপর পৈশাচিকতা কমছে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা, সামাজিক অবক্ষয় এবং সঠিক অভিযোগ দায়ের না করার প্রবণতাই এই অপরাধ দমনে বড় বাধা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত শত্রুতা বা ভিন্ন উদ্দেশ্যে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়, যা প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে ফেলে। সম্প্রতি ফেনীর পরশুরামে এক মক্তব শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণের অভিযোগটি ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তে বেরিয়ে আসে, ভুক্তভোগী কিশোরী তার নিজের আপন ভাইয়ের মাধ্যমেই লালসার শিকার হয়েছিল, কিন্তু পরিবার ঘটনাটি আড়াল করতে নিরপরাধ শিক্ষককে ফাঁসিয়েছিল।
পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, প্রেমের সম্পর্কের অবনতি বা পারিবারিক বিরোধের জেরেও অনেক সময় ধর্ষণের মামলা হয়। তবে প্রকৃত অপরাধ দমনে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
রিপোর্টারের নাম 

























