ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

লালমাইয়ের উন্নয়নে সঠিক তথ্য দিলে দায়িত্ব নেবেন এমপি মোবাশ্বের

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উপজেলা মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন সংক্রান্ত জরিপের ফলাফল উপস্থাপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়িত উপজেলা শহর মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন ও মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই ডেটা শেয়ারিং কর্মশালা আয়োজিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “লালমাই উপজেলা প্রতিষ্ঠার মাত্র সাত বছরের মধ্যে একটি মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ। আপনারা সঠিক তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করুন, উন্নয়নের দায়িত্ব আমি নেব।”

এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া লালমাইয়ের বিপুলসংখ্যক খামারির উৎপাদিত দুধ সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে বিদ্যমান সমস্যার কথা উল্লেখ করেন। বিশেষ করে বর্ষাকালে দুধ বিক্রি করতে না পারার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে তিনি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলেও জানান। তিনি উপজেলার উন্নয়ন পরিকল্পনায় প্রবাসীদের তথ্য ও ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান এবং একটি বাস্তবসম্মত ও টেকসই মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উপর জোর দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতুর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রকৌশলী অহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় মাস্টার প্ল্যানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সংশ্লিষ্ট পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। তারা জানান, গত তিন বছর ধরে মাঠপর্যায়ের জরিপ, ডিজিটাল ম্যাপিং, ড্রোন প্রযুক্তি ও আধুনিক তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতির মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে এই পরিকল্পনার খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন যে, প্রণীত মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে লালমাই উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ, জনসেবা সম্প্রসারণ, জলাশয় সংরক্ষণ, কৃষি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এলাকার প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধানের পথও নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে মিরাজকে রেখেই বাংলাদেশের অপরিবর্তিত দল ঘোষণা

লালমাইয়ের উন্নয়নে সঠিক তথ্য দিলে দায়িত্ব নেবেন এমপি মোবাশ্বের

আপডেট সময় : ১০:৫৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উপজেলা মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন সংক্রান্ত জরিপের ফলাফল উপস্থাপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়িত উপজেলা শহর মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন ও মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই ডেটা শেয়ারিং কর্মশালা আয়োজিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “লালমাই উপজেলা প্রতিষ্ঠার মাত্র সাত বছরের মধ্যে একটি মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ। আপনারা সঠিক তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করুন, উন্নয়নের দায়িত্ব আমি নেব।”

এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া লালমাইয়ের বিপুলসংখ্যক খামারির উৎপাদিত দুধ সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে বিদ্যমান সমস্যার কথা উল্লেখ করেন। বিশেষ করে বর্ষাকালে দুধ বিক্রি করতে না পারার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে তিনি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলেও জানান। তিনি উপজেলার উন্নয়ন পরিকল্পনায় প্রবাসীদের তথ্য ও ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান এবং একটি বাস্তবসম্মত ও টেকসই মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উপর জোর দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতুর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রকৌশলী অহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় মাস্টার প্ল্যানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সংশ্লিষ্ট পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। তারা জানান, গত তিন বছর ধরে মাঠপর্যায়ের জরিপ, ডিজিটাল ম্যাপিং, ড্রোন প্রযুক্তি ও আধুনিক তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতির মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে এই পরিকল্পনার খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন যে, প্রণীত মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে লালমাই উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ, জনসেবা সম্প্রসারণ, জলাশয় সংরক্ষণ, কৃষি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এলাকার প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধানের পথও নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।