প্রাথমিক শিক্ষায় ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ বিষয়ক সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনটির দাবি, কোমলমতি শিশুদের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে সংগীত, চারুকলা, নাট্যকলা ও নৃত্যকলা শেখানোর এই উদ্যোগ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চেতনার ওপর ‘নগ্ন হস্তক্ষেপের শামিল’।
শুক্রবার বিকেলে এক যৌথ বিবৃতিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ এবং সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ এই মন্তব্য করেন। তারা অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক, যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী শিক্ষাক্রম প্রণয়নের দাবি জানান। অন্যথায়, এই ধরনের যেকোনো উদ্যোগ দেশের ছাত্রসমাজ ও তৌহিদী জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনো ভাষা, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো মৌলিক বিষয় পড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত দক্ষ শিক্ষক ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই। এমন বাস্তবতায় শিক্ষার মৌলিক সংকট নিরসনের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের ওপর নতুন ও অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের চাপ সৃষ্টি করা এবং হাজার হাজার নতুন শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা প্রশ্নবিদ্ধ।
রিপোর্টারের নাম 




















