ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

মার্কিন ভিসার জামানত পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড বা জামানত পরিশোধের প্রক্রিয়া সহজতর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ ৩৮টি দেশের নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার বা প্রায় ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত ভিসা বন্ড দেওয়ার নীতি চালু করেছে। এই অর্থ পরিশোধে জটিলতা এড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন এক পরিপত্র জারি করেছে।

নতুন এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো দেশের ভিসার শর্ত হিসেবে নিরাপত্তা আমানত বা বন্ড বাধ্যতামূলক হলে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো আবেদনকারীর পক্ষে সেই অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে। গ্রাহকরা তাদের আন্তর্জাতিক বা ভার্চ্যুয়াল কার্ডের মাধ্যমেও এই অর্থ জমা দিতে পারবেন। যাদের আগে থেকেই কার্ড আছে, তারা ভ্রমণ কোটার আওতায় অর্থ পুনরায় জমা করতে পারবেন। তবে এই সুবিধা শুধুমাত্র ভিসা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট থাকবে।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা কর্তৃপক্ষ যদি বন্ডের অর্থ ফেরত দেয়, তবে তা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। ব্যাংকগুলোকে এই সংক্রান্ত লেনদেনের পৃথক রেকর্ড রাখতে এবং অর্থ ফেরতের বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। আবেদনকারীর পাসপোর্ট, দূতাবাসের চাহিদাপত্র ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করেই ব্যাংকগুলো এই অর্থ পাঠানোর অনুমতি দেবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে মেসির অতিমানবীয় রেকর্ড: টানা ৮ ম্যাচে গোল করে গড়লেন নতুন ইতিহাস

মার্কিন ভিসার জামানত পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৮:০৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড বা জামানত পরিশোধের প্রক্রিয়া সহজতর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ ৩৮টি দেশের নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার বা প্রায় ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত ভিসা বন্ড দেওয়ার নীতি চালু করেছে। এই অর্থ পরিশোধে জটিলতা এড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন এক পরিপত্র জারি করেছে।

নতুন এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো দেশের ভিসার শর্ত হিসেবে নিরাপত্তা আমানত বা বন্ড বাধ্যতামূলক হলে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো আবেদনকারীর পক্ষে সেই অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে। গ্রাহকরা তাদের আন্তর্জাতিক বা ভার্চ্যুয়াল কার্ডের মাধ্যমেও এই অর্থ জমা দিতে পারবেন। যাদের আগে থেকেই কার্ড আছে, তারা ভ্রমণ কোটার আওতায় অর্থ পুনরায় জমা করতে পারবেন। তবে এই সুবিধা শুধুমাত্র ভিসা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট থাকবে।

পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা কর্তৃপক্ষ যদি বন্ডের অর্থ ফেরত দেয়, তবে তা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। ব্যাংকগুলোকে এই সংক্রান্ত লেনদেনের পৃথক রেকর্ড রাখতে এবং অর্থ ফেরতের বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। আবেদনকারীর পাসপোর্ট, দূতাবাসের চাহিদাপত্র ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করেই ব্যাংকগুলো এই অর্থ পাঠানোর অনুমতি দেবে।