ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭ ফিলিস্তিনি নিহত, নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়াল

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় গত ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক এই হামলায় আহত আরও ১৬ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫৩ জনেরও বেশি মানুষ। উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হলেও ইসরায়েলি বাহিনী বারবার তা লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

দীর্ঘদিনের এই সামরিক অভিযানে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো পুরোপুরি বা আংশিক ধ্বংস হয়ে গেছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকা পুনর্গঠন করতে প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রয়োজন হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের সংস্কার ও উন্নয়নে স্বাধীন কমিশন গঠন করছে সরকার

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭ ফিলিস্তিনি নিহত, নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়াল

আপডেট সময় : ১০:১৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় গত ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক এই হামলায় আহত আরও ১৬ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫৩ জনেরও বেশি মানুষ। উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হলেও ইসরায়েলি বাহিনী বারবার তা লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

দীর্ঘদিনের এই সামরিক অভিযানে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো পুরোপুরি বা আংশিক ধ্বংস হয়ে গেছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকা পুনর্গঠন করতে প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রয়োজন হতে পারে।