ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

জুলাই অভ্যুত্থানে কওমি শিক্ষার্থীদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক জাতীয় সম্মেলনে এই দাবি তোলেন বাংলাদেশ কওমি ছাত্র ফোরামের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোতে কওমি শিক্ষার্থীরা রাজপথে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি বিপদগ্রস্ত আন্দোলনকারীদের মসজিদ ও মাদরাসায় আশ্রয় দিয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ছাত্র ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্দোলনে আহতদের সেবা ও খাদ্যের যোগান দিতে তারা নিরলস কাজ করেছেন। বিশেষ করে যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে লড়াই করতে গিয়ে অনেক মাদরাসা শিক্ষার্থী হতাহত হয়েছেন।

বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী অন্তত ৭৯ জন মাদরাসা ছাত্র এই অভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছেন। বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশে কওমি শিক্ষার্থীদের যোগ্য মূল্যায়ন এবং তাদের আত্মত্যাগের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের সংস্কার ও উন্নয়নে স্বাধীন কমিশন গঠন করছে সরকার

জুলাই অভ্যুত্থানে কওমি শিক্ষার্থীদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি

আপডেট সময় : ১০:১৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক জাতীয় সম্মেলনে এই দাবি তোলেন বাংলাদেশ কওমি ছাত্র ফোরামের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোতে কওমি শিক্ষার্থীরা রাজপথে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি বিপদগ্রস্ত আন্দোলনকারীদের মসজিদ ও মাদরাসায় আশ্রয় দিয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ছাত্র ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্দোলনে আহতদের সেবা ও খাদ্যের যোগান দিতে তারা নিরলস কাজ করেছেন। বিশেষ করে যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে লড়াই করতে গিয়ে অনেক মাদরাসা শিক্ষার্থী হতাহত হয়েছেন।

বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী অন্তত ৭৯ জন মাদরাসা ছাত্র এই অভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছেন। বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশে কওমি শিক্ষার্থীদের যোগ্য মূল্যায়ন এবং তাদের আত্মত্যাগের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।