ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

শৈলকূপায় মসজিদের কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২২

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় মসজিদের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতে উপজেলার কাঁচেরকোল ইউনিয়নের উত্তর মির্জাপুর গ্রামে এই সংঘর্ষে অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, উত্তর মির্জাপুর গ্রামের একটি ঈদগাহ ও মসজিদ পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। শনিবার এশার নামাজের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু মাগরিবের নামাজ শেষ হতেই বিএনপি নেতা ইনসান আলী বাবুর সমর্থকরা প্রতিপক্ষ বিপ্লব মিয়ার সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে স্থানীয় যুবদল নেতা আপেল মাহমুদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘ পুলিশ সম্মেলনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ

শৈলকূপায় মসজিদের কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২২

আপডেট সময় : ০২:৩০:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় মসজিদের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতে উপজেলার কাঁচেরকোল ইউনিয়নের উত্তর মির্জাপুর গ্রামে এই সংঘর্ষে অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, উত্তর মির্জাপুর গ্রামের একটি ঈদগাহ ও মসজিদ পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। শনিবার এশার নামাজের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু মাগরিবের নামাজ শেষ হতেই বিএনপি নেতা ইনসান আলী বাবুর সমর্থকরা প্রতিপক্ষ বিপ্লব মিয়ার সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে স্থানীয় যুবদল নেতা আপেল মাহমুদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।