ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

টেকনাফে জঙ্গল সলিমপুর মডেলে বড় অভিযানের প্রস্তুতি: অপরাধ দমনে কঠোর সিদ্ধান্ত

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া এলাকায় দিন দিন বাড়তে থাকা অপহরণ, মুক্তিপণ বাণিজ্য, মাদক এবং মানবপাচার দমনে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পরিচালিত সফল অভিযানের আদলে এখানেও বড় ধরনের যৌথ অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। শনিবার টেকনাফে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। সভায় বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে আলোচনা করা হয় যে, বাহারছড়া এলাকার দুর্গম পাহাড়গুলোকে সন্ত্রাসীরা আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেখানে স্থায়ী পুলিশি চৌকি স্থাপন এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে চিরুনি অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় বক্তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অপরাধীদের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী জানান, অপরাধীচক্রের শেকড় উপড়ে ফেলতে শিগগিরই সমন্বিত অভিযান শুরু হবে। মূলত জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সীমান্ত এলাকার শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের সংস্কার ও উন্নয়নে স্বাধীন কমিশন গঠন করছে সরকার

টেকনাফে জঙ্গল সলিমপুর মডেলে বড় অভিযানের প্রস্তুতি: অপরাধ দমনে কঠোর সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ১০:১৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া এলাকায় দিন দিন বাড়তে থাকা অপহরণ, মুক্তিপণ বাণিজ্য, মাদক এবং মানবপাচার দমনে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পরিচালিত সফল অভিযানের আদলে এখানেও বড় ধরনের যৌথ অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। শনিবার টেকনাফে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। সভায় বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে আলোচনা করা হয় যে, বাহারছড়া এলাকার দুর্গম পাহাড়গুলোকে সন্ত্রাসীরা আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেখানে স্থায়ী পুলিশি চৌকি স্থাপন এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে চিরুনি অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় বক্তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অপরাধীদের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী জানান, অপরাধীচক্রের শেকড় উপড়ে ফেলতে শিগগিরই সমন্বিত অভিযান শুরু হবে। মূলত জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সীমান্ত এলাকার শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।