ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

মার্কিন রাজনীতিতে নতুন ‘কিংমেকার’ জোহরান মামদানি: ফিলিস্তিন ইস্যু ও প্রগতিশীলতার জয়জয়কার

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ঘিরে বর্তমানে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্নীতি ও প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক বলয়ের বিরুদ্ধে তার আপসহীন অবস্থানের কারণে বিশ্লেষকরা তাকে জনপ্রিয় কমিক চরিত্র ‘ডেয়ারডেভিল’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন। প্রভাবশালী লবিস্টদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নতুন প্রজন্মের সাহসী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই রাজনীতিক।

সাম্প্রতিক ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মামদানি সমর্থিত তিন প্রগতিশীল প্রার্থীর নিরঙ্কুশ বিজয় তার রাজনৈতিক প্রভাবকে আরও সুসংহত করেছে। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস তাকে ‘কিংমেকার’ হিসেবে অভিহিত করেছে। এই বিজয়কে কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে নয়, বরং নিউইয়র্কের রাজনীতিতে প্রগতিশীল শক্তির উত্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনী সমাবেশগুলোতে ‘ফ্রি ফিলিস্তিন’ স্লোগান নতুন এক রাজনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিন ইস্যুতে অত্যন্ত দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন মামদানি। তিনি ইসরাইলপন্থী লবিং সংগঠন এআইপিএসি-র কড়া সমালোচনা করেছেন এবং বিতর্কিত ‘ইসরাইল ডে প্যারেড’ বর্জন করেছেন। কোনো ধর্মকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তিনি প্রগতিশীল ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছেন। তবে তার কর্মকাণ্ড কেবল পররাষ্ট্রনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়; আবাসন সংকট মোকাবিলা, শ্রমিক অধিকার রক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তার মতো জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের সংস্কার ও উন্নয়নে স্বাধীন কমিশন গঠন করছে সরকার

মার্কিন রাজনীতিতে নতুন ‘কিংমেকার’ জোহরান মামদানি: ফিলিস্তিন ইস্যু ও প্রগতিশীলতার জয়জয়কার

আপডেট সময় : ১০:১২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ঘিরে বর্তমানে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্নীতি ও প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক বলয়ের বিরুদ্ধে তার আপসহীন অবস্থানের কারণে বিশ্লেষকরা তাকে জনপ্রিয় কমিক চরিত্র ‘ডেয়ারডেভিল’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন। প্রভাবশালী লবিস্টদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নতুন প্রজন্মের সাহসী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই রাজনীতিক।

সাম্প্রতিক ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মামদানি সমর্থিত তিন প্রগতিশীল প্রার্থীর নিরঙ্কুশ বিজয় তার রাজনৈতিক প্রভাবকে আরও সুসংহত করেছে। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস তাকে ‘কিংমেকার’ হিসেবে অভিহিত করেছে। এই বিজয়কে কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে নয়, বরং নিউইয়র্কের রাজনীতিতে প্রগতিশীল শক্তির উত্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনী সমাবেশগুলোতে ‘ফ্রি ফিলিস্তিন’ স্লোগান নতুন এক রাজনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিন ইস্যুতে অত্যন্ত দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন মামদানি। তিনি ইসরাইলপন্থী লবিং সংগঠন এআইপিএসি-র কড়া সমালোচনা করেছেন এবং বিতর্কিত ‘ইসরাইল ডে প্যারেড’ বর্জন করেছেন। কোনো ধর্মকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তিনি প্রগতিশীল ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছেন। তবে তার কর্মকাণ্ড কেবল পররাষ্ট্রনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়; আবাসন সংকট মোকাবিলা, শ্রমিক অধিকার রক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তার মতো জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখছেন।